একটা জাতীয় স্বাস্থ্য ডেটাবেজ কল্পনা করুন। কোনো এক জেলায় বছরে মাত্র সাত-আটজন রোগী বিরল কোনো এক জটিলতায় ধরা পড়ছে। সংখ্যাটা খুব ছোট, কিন্তু ওই সাত-আটজন মানুষের জন্য এটাই তাঁদের পুরো বাস্তবতা। এখন কল্পনা করুন, এই ডেটাবেজে রোগীর পরিচয় গোপন রাখার জন্য একটা গাণিতিক পদ্ধতি বসানো হলো, যার কাজ হলো প্রতিটি সংখ্যার সঙ্গে সামান্য একটু এলোমেলো ‘শব্দ’ বা ‘নয়েজ’ যোগ করে দেওয়া। বড় সংখ্যার জন্য এই নয়েজ কিছুই না।
কিন্তু সাত বা আটের মতো ছোট সংখ্যার ক্ষেত্রে এই সামান্য নয়েজই পুরো সংখ্যাকে গিলে ফেলতে পারে। ডেটাবেজ তখনো ঠিকই ‘গোপনীয়’ থাকে, কিন্তু ওই জেলার রোগীরা যেন কাগজে-কলমে অস্তিত্বহীন হয়ে যায়!এই ব্যাপারটার একটা কেতাবি নাম আছে—ডিফারেনশিয়াল প্রাইভেসি। মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী সিনথিয়া ডোয়ার্ক ২০০৬ সালে এই ধারণাটা প্রথম গাণিতিকভাবে দাঁড় করান।
আর গত এক দশকে এটা বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য ডেটা, আদমশুমারি, এমনকি বড় বড় এআই মডেল প্রশিক্ষণেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো

সবুজের সান্নিধ্য পেতে আলুটিলায়
৯০০ টাকায় লাগিয়েছিলেন দুটি গাছ, এখন বছরে বিক্রি ৩২ লাখ টাকা
সৌদি-হুতি যুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রমিক কেন আলোচনার কেন্দ্রে
শীতে ছাদবাগানের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিনির্ভর কম্পিউটার ও ল্যাপটপ আনল গিগাবাইট

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন