advertisement

ব্যালন ডি’অর জয়ের পর কি তাহলে ‘স্যার’ হ্যারি কেইন

ব্যালন ডি’অর জয়ের পর কি তাহলে ‘স্যার’ হ্যারি কেইন
২০২৬ ব্যালন ডি’অর ট্রফি হাতে হ্যারি কেইন
ফটো কার্ড প্রিন্ট

‘হ্যারি কেইন সত্যিকারের ভদ্রলোক।’কথাটা ব্যালন ডি’অরের লাল গালিচা সংবর্ধনায় এক সঞ্চালকের। হ্যারি কেইনের ছোট্ট সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর তাঁর উপলব্ধি। পাশে মাইক্রোফোন হাতে দাঁড়ানো ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো মাথা ঝুঁকিয়ে সায় দিলেন।

কেইন কতটা ভদ্রলোক, সেটা প্যালাডিয়াম থিয়েটারে ব্যালন ডি’অরের শেষ ট্রফিটা দেওয়ার পর বোঝা গেল আরও ভালোভাবে।না, লামিনে ইয়ামাল কিংবা কিলিয়ান এমবাপ্পে ট্রফিটি জেতার পর কেইন ভীষণ ভদ্রতা দেখিয়েছেন, তেমন নয় ব্যাপারটা। ব্যক্তিগত পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্বের আরাধ্য ওই ট্রফিটি উঠেছে কেইনের হাতেই। তারপর মাইক্রোফোনের সামনে তাঁর বলা কথাগুলোয় ভদ্রতা যেন ঠিকরে বেরোল!কেইনের ক্যারিয়ারকে ফ্লাশব্যাক করে দেখলে সেটা ধরতে পারা সহজ।

২০২৩ সালে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার আগে ১৯ বছর ছিলেন টটেনহাম হটস্পারে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৭ অক্টোবর ২০২৬) আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৭ অক্টোবর ২০২৬) হ্যারি কেইনের হাতেই কি তাহলে এবারের ব্যালন ডি’অর হ্যারি কেইনের হাতেই কি তাহলে এবারের ব্যালন ডি’অর দুই সেকেন্ড ব্যবধানে শাদাবকে নতুন ‘জীবন’ হারিসের, তারপর অদ্ভুত আবদার দুই সেকেন্ড ব্যবধানে শাদাবকে নতুন ‘জীবন’ হারিসের, তারপর অদ্ভুত আবদার টাকা ছাড়া নিলামে কেমন হলো কোন দল টাকা ছাড়া নিলামে কেমন হলো কোন দল অভিমান ভুলে রিয়াল এবার কেন যাচ্ছে ব্যালন ডি’অরে অভিমান ভুলে রিয়াল এবার কেন যাচ্ছে ব্যালন ডি’অরে
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার পিএইচডি ফেলোশিপ, অনুদান ৬০ হাজার ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার পিএইচডি ফেলোশিপ, অনুদান ৬০ হাজার ডলার
ছবি: ফ্রিপিক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষের জন্য গ্র্যাজুয়েট ফেলোশিপ আবেদন আহ্বান করেছে। এ ফেলোশিপে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ৬০ হাজার ডলার অনুদান পাবেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিকস, স্বয়ংক্রিয় যানবাহন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণারত শিক্ষার্থীরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এ সুযোগ উন্মুক্ত।ফেলোশিপের সুযোগ-সুবিধা—এ ফেলোশিপের আওতায় নির্বাচিত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য সর্বোচ্চ ৬০ হাজার ডলার দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে এ অর্থ ব্যবস্থাপনা করা হবে। শিক্ষার্থীদের ভাতা, টিউশন ফি ও বাধ্যতামূলক ফি পরিশোধে এ অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

ফেলোশিপের অংশ হিসেবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এনভিডিয়ার নির্ধারিত গবেষণা কার্যালয়ে সরাসরি উপস্থিত হয়ে গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নশিপ করতে হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৮ ডিসেম্বরের পর্যন্ত

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৮ ডিসেম্বরের পর্যন্ত

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ‘চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন গ্রেডের ২২টি স্থায়ী পদে মোট ৩৯৩ জন কর্মী নিয়োগ দেবে। বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের কাছ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

পদভিত্তিক তথ্য, পদসংখ্যা ও বেতনস্কেল ১. পারসোনেল অফিসার/সহকারী সচিব: ২ জন (গ্রেড-০৯, বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা)।

২. অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (এস্টেট): ১ জন (গ্রেড-০৯, বেতন: ৪৪,০০০-১০৫,৯০০ টাকা)।কর্মক্ষেত্রে বেশি মানসিক চাপে থাকেন ইউরোপের যে ১০ দেশের কর্মীরা৩. সহকারী পরিসংখ্যান কর্মকর্তা: ১ জন (গ্রেড-১০, বেতন: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা)।৪. লাইটিং অফিসার: ১ জন (গ্রেড-১১, বেতন: ২৫,০০০-৬০,৫০০ টাকা)।৫. সহকারী পরিদর্শক (ক্রাফটস): ১ জন (গ্রেড-১১, বেতন: ২৫,০০০-৬০,৫০০ টাকা)।৬. ইঞ্জিনচালক (১ম শ্রেণি): ৫ জন (গ্রেড-১২, বেতন: ২৪,৩০০-৫৮,৭০০ টাকা)।৭. ইলেকট্রিশিয়ান/ইলেকট্রিশিয়ান গ্রেড-১: ৩ জন (গ্রেড-১৪, বেতন: ২৩,৫০০-৫৬,৮০০ টাকা)।৮. ইঞ্জিন চালক (২য় শ্রেণি): ৬ জন (গ্রেড-১৫, বেতন: ২২,৮০০-৫৫,২০০ টাকা)।৯. ল্যান্ড সার্ভেয়ার: ২ জন (গ্রেড-১৫, বেতন: ২২,৮০০-৫৫,২০০ টাকা)।১০. ওয়ার্ড কিপার: ১ জন (গ্রেড-১৫, বেতন: ২২,৮০০-৫৫,২০০ টাকা)।১১. ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট: ১ জন (গ্রেড-১৫, বেতন: ২২,৮০০-৫...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মালয়েশিয়া ভ্রমণ: কালের যাত্রাধ্বনি-৫

মালয়েশিয়া ভ্রমণ: কালের যাত্রাধ্বনি-৫
কেক লোক সি মন্দির। রঙিন ছাদ, নিখুঁত কারুকাজ আর চীনা স্থাপত্যের নিজস্ব আভিজাত্যে গড়ে ওঠা অপূর্ব উপাসনালয়। ছবি: লেখক

মালাক্কা থেকে পেনাংয়ে যাওয়ার ডোমেস্টিক ফ্লাইট নেই। হয় কুয়ালালামপুর ফিরে ফ্লাইট ধরে যেতে হবে, নয়তো বাস কিংবা ট্যাক্সি। আমরা ট্যাক্সি নিয়েই বেরিয়ে পড়লাম। রাতের অন্ধকারে গাড়ি এগিয়ে চলল উত্তরের দিকে। পেনাংয়ে যাওয়ার পথটা বেশ দীর্ঘ। প্রায় পাঁচ শ কিলোমিটার। আমাদের সারথি (ট্যাক্সিচালক) সিম্বে দা জানালেন, বিরতি ও যানজটের ওপর নির্ভর করে ছয় ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।

রাতের যাত্রায় বাইরের দৃশ্য খুব একটা চোখে পড়ে না। জানালার ওপারে অন্ধকার, এদিকে সারা দিন ঘোরাঘুরির ক্লান্তি। কখন যে রাত পেরিয়ে ভোর হয়ে এল, বুঝতেই পারিনি। সকালে পেনাংয়ে পৌঁছে কোপিতিয়ামে কায়া টোস্ট, আধা সেদ্ধ ডিম আর কফি দিয়ে নাশতা সেরে নিলাম।মন্দিরের ভেতরে সারি সারি বুদ্ধের মুখ। ছবি: লেখক এবার আমাদের গন্তব্য কেক লোক সি মন্দির। সকালবেলায় মন্দির দেখতে যাওয়ার মধ্যে আলাদা একটা স্বস্তি ছিল।

দিনের ব্যস্ততা তখনো শুরু হয়নি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন