গুমের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
গুমের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
শরীরের প্রতিটি জোড়ায় তীব্র ব্যথা, যেন হাড়গুলো সব ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে! মাথা ভারী, চোখের পেছনে টনটনানি, পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণা। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত অনেকেই এমন অভিজ্ঞতার কথা বলেন। এ কারণেই ডেঙ্গুকে একসময় ব্রেকবোন ফিভার বা হাড়ভাঙা জ্বরও বলা হতো।এমন যন্ত্রণায় কাবু হলে হাতের কাছে থাকা ব্যথানাশক বড়ি খেতে ইচ্ছে করতেই পারে। কিন্তু ডেঙ্গু সন্দেহ হলে নিজের ইচ্ছায় ব্যথানাশক খাওয়া বিপজ্জনক।
আইবুপ্রোফেন, নাপ্রোক্সেন, ডাইক্লোফেনাক ও অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ডেঙ্গু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা না করে, সন্দেহ হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু কেন?
যে ওষুধ সাধারণ সময়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, ডেঙ্গুর সময় সেটিই কেন বিপদের কারণ হতে পারে?এর উত্তর বুঝতে হলে জানতে হবে রক্তের অতি ক্ষুদ্র অণুচক্রিকা কীভাবে কাজ করে, আমাদের কোষে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধব্যবস্থা কী ভূমিকা রাখে।
সূত্র: প্রথম আলো
শরতের কয়েকটি ঝলমলে দিনের পর টাইফুনের প্রভাবে গত সপ্তাহান্তে টোকিওতে ফিরে এসেছিল টানা বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির মধ্যেই গত সোমবার সন্ধ্যায় শুরু হয় ৩৯তম টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। বৃষ্টিভেজা লালগালিচা, তারকাদের উপস্থিতি আর চলচ্চিত্রপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসে জমে ওঠে উদ্বোধনী আয়োজন। পরদিন মঙ্গলবার থেকে পুরোদমে শুরু হয় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। বুধবার আকাশে রোদও ফিরেছে।
টোকিওর হিবিয়া, ইউরাকুচো, মারুনৌচি ও গিনজা এলাকায় এখন চলচ্চিত্রের উৎসবমুখর পরিবেশ।আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। বিশ্বের নানা প্রান্তের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে জাপানের রাজধানী।
চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, নতুন প্রতিভার বিকাশ ও জাপানি চলচ্চিত্রের বিশ্ববাজার সম্প্রসারণের বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে এবারের আয়োজনে।বৃষ্টিভেজা লালগালিচায় তারকারা উৎসবের প্রথম দিন টোকিও মিডটাউন হিবিয়ার স্টেপ স্কয়ারে ছিল লালগালিচার আয়োজন।
সূত্র: প্রথম আলো
আষাঢ়ের শেষে মাঠে পানি উঠলে আমাদের দাদা-দাদিরা আলাদা করে ভাবতেন না। তাঁরা জানতেন, খেতে খলশে আসবে। ধানের চারা একটু বড় হলেই ঝাঁকে ঝাঁকে ছোট মাছ ঘুরত। গামছা দিয়ে ছেঁকে এই মাছ ধরা হতো। দুপুর বা রাতে পাতে পড়ত খলশে।এখন তুমি গ্রামে গেলে একই মাঠ দেখবে। ধান আছে, পানিও আছে। মাছটা সেভাবে নেই। অনেক কিশোর খলশের নামও শোনেনি। বয়স্কদের কাছে গেলে প্রায়ই শোনা যায়, ‘আমরা তো ঝুড়ি ভরে খলশে আনতাম।’মাছটা দেখতে সুন্দর।
লম্বায় বড়জোর ১০ সেন্টিমিটার। গায়ে নীলচে আর কমলা রঙের আড়াআড়ি ডোরা। পেটের কাছ থেকে দুটি সুতার মতো পাখনা ঝুলে থাকে। এগুলো দিয়ে সে ছুঁয়ে ছুঁয়ে পথ চেনে, তাই ঘোলা পানিতেও তার অসুবিধা হয় না। এলাকাভেদে নাম বদলায়, কোথাও খলশে, কোথাও খইলসা। এটি গুরামি গোত্রের মাছ। অ্যাকুয়ারিয়ামে যে রঙিন গুরামি রাখা হয়, এরা তাদেরই আত্মীয়।ধানখেত ছিল খলশের আদর্শ ঘর। পানি অল্প, স্রোত নেই, ধানের গোড়ায় ঘাসপাতা জমে থাকে।
লুকানোর জায়গা মেলে, খাবারও মেলে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন