advertisement

অভিমান থেকে ছাদবাগান, এখন ছাদজুড়ে শতাধিক ফল ও ফুলের গাছ

অভিমান থেকে ছাদবাগান, এখন ছাদজুড়ে শতাধিক ফল ও ফুলের গাছ
ফলগাছের পরিচর্যা করছেন ছাদবাগানি তানজিদ। ৩১ অক্টোবর দুপুরে জামালপুর শহরের শাহপুর এলাকায়
ফটো কার্ড প্রিন্ট

একতলা বাড়িটি ১ হাজার ৬০০ বর্গফুটের। ছাদজুড়ে প্লাস্টিকের ছোট–বড় ড্রাম কেটে সারি সারি বসানো হয়েছে দেশি–বিদেশি নানা প্রজাতির ফলগাছ। আছে ফুলের গাছও। জামালপুর শহরের শাহপুর এলাকার এই ছাদবাগান গড়ে তুলেছেন তানজিদ ইসলাম (২৬)।ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী তানজিদ। তিনি তোফাজ্জল হোসেন ও মনোয়ারা বেগম দম্পতির ছোট ছেলে। স্কুলজীবন থেকেই গাছের প্রতি তাঁর আকর্ষণ।

সেই টান থেকেই একটু একটু করে গড়েছেন বাগানটি। এখন সেখানে প্রায় ৭০ ধরনের ফলদ ও ৫০ ধরনের ফুলগাছ আছে।ফলের মধ্যে রয়েছে কমলা, আঙুর, পেয়ারা, মাল্টা, চেরি, সফেদা, জাম, আনার, ডালিম, সবুজ আপেল, ড্রাগন, লেবু প্রভৃতি। এ ছাড়া ফুলের মধ্যে রয়েছে গোলাপ, জবা, রঙ্গন, বাগানবিলাস, হাসনাহেনা, বেলি, কাঁটামুকুট, কাঠগোলাপ প্রভৃতি।তানজিদ ইসলাম, ছাদবাগানিসেদিন মা খুব কষ্ট পেয়েছিলেন।

মায়ের মন খারাপ দেখে আমিই তখন বলেছিলাম, চলো, ফুল লাগবে না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

বাস্তুতন্ত্র ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিন বাস্তুতন্ত্র ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিন বাংলাদেশের যে গ্রামে তৈরি হয় শতকোটি ভিউয়ের ভিডিও বাংলাদেশের যে গ্রামে তৈরি হয় শতকোটি ভিউয়ের ভিডিও ব্ল্যাকহোল কি সত্যিই দুই ভাগে বিভক্ত হতে পারে ব্ল্যাকহোল কি সত্যিই দুই ভাগে বিভক্ত হতে পারে নজরুলবর্ষ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ নজরুলবর্ষ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ চাটমোহরের চাঁইয়ের হাট চাটমোহরের চাঁইয়ের হাট
advertisement

বাস্তুতন্ত্র ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিন

বাস্তুতন্ত্র ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিন
সম্পাদকীয়

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদের দেশীয় ছোট মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির সংবাদ পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকিকে সামনে নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অব্যবস্থাপনার চিত্রও হাজির করেছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ডিসকভার এনভায়রনমেন্ট-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় কাপ্তাই হ্রদের কাচকি, চাপিলা, ট্যাংরা, মলা ও ঢ্যালার মতো ছোট মাছে উদ্বেগজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক বা সূক্ষ্ম প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। সংগৃহীত ৭৫টি নমুনা মাছের প্রতিটিতেই পাঁচ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

হ্রদের তলদেশের কাদা ও বালু থেকে খাবার গ্রহণ করায় ট্যাংরা মাছে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি—প্রতি গ্রামে গড়ে ০.৬৩টি কণা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বাংলাদেশের যে গ্রামে তৈরি হয় শতকোটি ভিউয়ের ভিডিও

বাংলাদেশের যে গ্রামে তৈরি হয় শতকোটি ভিউয়ের ভিডিও

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামে তৈরি এক কনটেন্ট শুধু ফেসবুকেই দেখা হয়েছে ৭৫ কোটির বেশি আর বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মিলিয়ে সেই সংখ্যা ১১০ কোটির বেশি। চাকরি ছেড়ে কনটেন্ট ক্রিয়েশনে নামা সেই যুবকের গল্প জানুন ভিডিওতে...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ব্ল্যাকহোল কি সত্যিই দুই ভাগে বিভক্ত হতে পারে

ব্ল্যাকহোল কি সত্যিই দুই ভাগে বিভক্ত হতে পারে
ব্ল্যাকহোলকে কোনো শক্তি কি মাঝখান থেকে ভেঙে দুই টুকরো করে ফেলতে পারে?

ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরকে অনেকেই মহাকাশের সবচেয়ে ভয়ংকর এবং রহস্যময় বস্তু হিসেবে বিবেচনা করেন। পাঠক নিশ্চয়ই জানেন, এই দানবগুলোর মহাকর্ষ শক্তি এতটাই মারাত্মক যে এর কাছাকাছি গেলে স্বয়ং আলোও আর ফিরে আসতে পারে না। মহাবিশ্বের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা শুধু দেখে এসেছেন, দুটি ব্ল্যাকহোল একে অপরের সঙ্গে প্রবল বেগে ধাক্কা খেয়ে মিলেমিশে আরও বড় এক দানবে পরিণত হয়।

এই প্রলয়ংকরী সংঘর্ষের ফলে মহাকাশে এমন এক ভয়ংকর মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো স্থান-কালকেই কাঁপিয়ে দেয়। এর টান থেকে কোনো কিছুই পালাতে পারে না। এমন ভয়ংকর ব্ল্যাকহোলকে কোনো শক্তি কি মাঝখান থেকে ভেঙে দুই টুকরো করে ফেলতে পারে?

ইউরোপের একদল বিজ্ঞানী বলছে, হ্যাঁ পারে।ইতালির ইউনিভার্সিটি অফ নেপলস ফেদেরিকো টু-এর গবেষক ফ্রান্সেসকো সান্নিনো এবং ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ডেনমার্কের কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি সেন্টারের একদল মেধাবী বিজ্ঞানী মিলে এক অবিশ্বাস্য হিসাব কষেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন