মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
কারাগারের শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে হাজতির মৃত্যু
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদের দেশীয় ছোট মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির সংবাদ পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকিকে সামনে নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অব্যবস্থাপনার চিত্রও হাজির করেছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ডিসকভার এনভায়রনমেন্ট-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় কাপ্তাই হ্রদের কাচকি, চাপিলা, ট্যাংরা, মলা ও ঢ্যালার মতো ছোট মাছে উদ্বেগজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক বা সূক্ষ্ম প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। সংগৃহীত ৭৫টি নমুনা মাছের প্রতিটিতেই পাঁচ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।
হ্রদের তলদেশের কাদা ও বালু থেকে খাবার গ্রহণ করায় ট্যাংরা মাছে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি—প্রতি গ্রামে গড়ে ০.৬৩টি কণা।
সূত্র: প্রথম আলো
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামে তৈরি এক কনটেন্ট শুধু ফেসবুকেই দেখা হয়েছে ৭৫ কোটির বেশি আর বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মিলিয়ে সেই সংখ্যা ১১০ কোটির বেশি। চাকরি ছেড়ে কনটেন্ট ক্রিয়েশনে নামা সেই যুবকের গল্প জানুন ভিডিওতে...
সূত্র: প্রথম আলো
ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরকে অনেকেই মহাকাশের সবচেয়ে ভয়ংকর এবং রহস্যময় বস্তু হিসেবে বিবেচনা করেন। পাঠক নিশ্চয়ই জানেন, এই দানবগুলোর মহাকর্ষ শক্তি এতটাই মারাত্মক যে এর কাছাকাছি গেলে স্বয়ং আলোও আর ফিরে আসতে পারে না। মহাবিশ্বের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা শুধু দেখে এসেছেন, দুটি ব্ল্যাকহোল একে অপরের সঙ্গে প্রবল বেগে ধাক্কা খেয়ে মিলেমিশে আরও বড় এক দানবে পরিণত হয়।
এই প্রলয়ংকরী সংঘর্ষের ফলে মহাকাশে এমন এক ভয়ংকর মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো স্থান-কালকেই কাঁপিয়ে দেয়। এর টান থেকে কোনো কিছুই পালাতে পারে না। এমন ভয়ংকর ব্ল্যাকহোলকে কোনো শক্তি কি মাঝখান থেকে ভেঙে দুই টুকরো করে ফেলতে পারে?
ইউরোপের একদল বিজ্ঞানী বলছে, হ্যাঁ পারে।ইতালির ইউনিভার্সিটি অফ নেপলস ফেদেরিকো টু-এর গবেষক ফ্রান্সেসকো সান্নিনো এবং ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ডেনমার্কের কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি সেন্টারের একদল মেধাবী বিজ্ঞানী মিলে এক অবিশ্বাস্য হিসাব কষেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন