advertisement

স্পিনের ফাঁদ পেতে উল্টো .৫ ডিগ্রিতে আটকে গেল বাংলাদেশই

স্পিনের ফাঁদ পেতে উল্টো .৫ ডিগ্রিতে আটকে গেল বাংলাদেশই
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
ফটো কার্ড প্রিন্ট

বাংলাদেশ তাহলে দুটো কারণে মিরপুর টেস্টটা হেরেছে! এক. বাংলাদেশের স্পিনাররা ভালো বোলিং করেননি। দুই. ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনারদের বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ভালোভাবে সামলাতে পারেননি। চতুর্থ দিনের মধ্যেই ৮ উইকেটে হারের পর গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনও হারটাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন। টেস্টের আরও অনেক কিছু নিয়েই তিনি কথা বলেছেন। তবে মূল কথা, স্পিনের চক্করে পড়েই বাংলাদেশের হার।

স্পিনের এই চক্কর কিন্তু আবার বাংলাদেশেরই সৃষ্টি। মানে স্বাগতিক দল যেহেতু, তারা তো ঘরের মাঠের সুবিধা নিতেই চাইবে। এটা দোষের কিছু নয়; কিন্তু সমস্যা হলো আপনার আমগাছে আম থাকলেই শুধু হবে না—আপনাকে আম পাড়তেও জানতে হবে। এই টেস্টে বাংলাদেশ সেই আমটাই পেড়ে খেতে পারেনি। উল্টো তাদের গাছের আম পেড়ে নিয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ!একটা ছোট্ট হিসাব দিলে বিষয়টা আরও পরিষ্কার হবে।

সিরিজ সম্প্রচারকদের এক ডেটা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট থেকে গড়ে সাড়ে ৩ ডিগ্রি করে টার্ন আদায় করেছেন, যেখানে বাংলাদেশের স্পিনাররা টার্ন পেয়েছেন গড়ে ৩ ডিগ্রি করে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

আজ টিভিতে যা দেখবেন (১ নভেম্বর ২০২৬) আজ টিভিতে যা দেখবেন (১ নভেম্বর ২০২৬) পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন সাবিনা-কৃষ্ণাদের টাঙ্গাইল পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন সাবিনা-কৃষ্ণাদের টাঙ্গাইল ফখরের সেঞ্চুরির পর মিনহাজের ঝোড়ো ব্যাটিং, ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতল পাকিস্তান ফখরের সেঞ্চুরির পর মিনহাজের ঝোড়ো ব্যাটিং, ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতল পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্টের দলে অমিত হাসান, বাদ মুমিনুল দ্বিতীয় টেস্টের দলে অমিত হাসান, বাদ মুমিনুল চেলসির কাছে হেরে আরও বিপদে ইউনাইটেড এবং ক্যারিক চেলসির কাছে হেরে আরও বিপদে ইউনাইটেড এবং ক্যারিক
advertisement

পছন্দের দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ইন্দিরা

পছন্দের দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ইন্দিরা
নয়াদিল্লির ত্রিমূর্তি ভবনে শায়িত ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মরদেহ। পাশে তাঁর ছেলে রাজীব গান্ধী (বাঁয়ে)। ইন্দিরা গান্ধী তাঁর দুই শিখ দেহরক্ষীর হাতে নিহত হন। ৩১ অক্টোবর, ১৯৮৪

১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর পছন্দের শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে নিহত হন। ‘অপারেশন ব্লু স্টার’-এর জের ধরে এই ট্র্যাজিক হত্যাকাণ্ড ঘটে, যা ভারতের ইতিহাসে এক রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।দিনটি আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই ছিল। সকাল থেকে চারপাশ রোদ-ঝলমলে। অন্যান্য কর্মব্যস্ত দিনের মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে সাড়ে সাতটার মধ্যে তিনি তৈরি হয়ে যান।

আলমারি থেকে বেছে নেন কালো পাড়ের গেরুয়া রঙের একটি শাড়ি। দিনের শুরুতেই বিদেশি এক তথ্যচিত্র নির্মাতার সঙ্গে শুটিং আছে। তাই, হয়তো এই শাড়িটি বেছে নিয়েছিলেন। শাড়ি পরে তৈরি হয়ে আসেন নাশতার টেবিলে। নাশতার পর মেকআপম্যান তাঁর মুখে সামান্য পাউডার ও ব্লাশার লাগিয়ে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যে হাজির হন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক কে পি মাথুর, নিয়মমাফিক তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। দিনটি ছিল ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর।

সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দিনের প্রথম সাক্ষাৎসূচি (অ্যাপয়েন্টমেন্ট) দেওয়া ছিল পিটার উস্তিনভকে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কার্টুন ও মিম বানিয়ে ফেসবুকে দিয়ে ‘কোটি টাকার ব্যবসা’ করেছেন দুই ভাই

কার্টুন ও মিম বানিয়ে ফেসবুকে দিয়ে ‘কোটি টাকার ব্যবসা’ করেছেন দুই ভাই
নাজমুস শাহাদাত ও নাজমুস সাকিব

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরপরই নাজমুস শাহাদাত ভাবতে শুরু করেছিলেন, হাতখরচটা এবার নিজেকেই জোগাড় করতে হবে। বড় ভাই নাজমুস সাকিব তখন চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ছাত্র। দুই ভাই মিলে খুঁজতে থাকেন আয়ের পথ। তাঁদের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে। শাহাদাত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার ছাত্র। তাই এ ক্ষেত্রেই শুরুতে ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছেন। কাজও করেছেন কিছুদিন। কিন্তু মন টেকেনি।

এরপর দুই ভাই ধীরে ধীরে অনলাইন ব্যবসার অলিগলিতে ঢুঁ মারতে শুরু করেন। প্রথমে ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলে বিভিন্ন বিষয়ের ছবি দিয়ে ‘স্লাইড শো’ তৈরি করতেন শাহাদাত। তাতে খুব একটা সাড়া মেলেনি। পরে ‘ফেসবুক বোনাস’ (রিল, ছবি ও লেখার মাধ্যমে মেটা থেকে আয়), কনটেন্ট মনিটাইজেশন, এমন নানা কিছু সম্পর্কে ধারণা নেন। তখনো অনলাইনে পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা তাঁদের ছিল না।

বরং দুই ভাইই খুঁজছিলেন, কী ধরনের কনটেন্ট তৈরি করলে নেটিজেনদের মনোযোগ পাওয়া যাবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

অনৈতিক আচরণ শনাক্ত হলে গোপনে কথোপকথন পর্যালোচনা করবে ক্লড

অনৈতিক আচরণ শনাক্ত হলে গোপনে কথোপকথন পর্যালোচনা করবে ক্লড
অ্যানথ্রপিক ক্লডে হওয়া কথাবার্তা পর্যালোচনা করবে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবট ক্লডে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করেছে অ্যানথ্রপিক। ‘সেলফ অ্যাসেসমেন্ট’ নামের এ ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীর সঙ্গে হওয়া কথোপকথন নিজেই পর্যালোচনা করে সম্ভাব্য ক্ষতিকর আচরণ শনাক্ত করবে ক্লড। কোনো কথোপকথনে অনৈতিক বা বিপজ্জনক কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে সেটি মানব পর্যালোচনার জন্য চিহ্নিত করে রাখা হবে। তবে এ প্রক্রিয়ার সময় ব্যবহারকারীকে কোনো সতর্কবার্তা দেওয়া হবে না।

অ্যানথ্রপিকের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জুন থেকেই ক্লড ফেবল ৫ ও বিভিন্ন মডেলে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, ক্লডের প্রতিটি উত্তর তৈরির পরই নেপথ্যে কথোপকথনের নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা হয়। এ জন্য চ্যাটবটটিকে নিজের তৈরি উত্তরসহ পুরো কথোপকথন পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার মতো আগে থেকে নির্ধারিত নিয়মের তালিকার ওপর নির্ভর করে না এ পদ্ধতি।

বরং ক্লডের নিজস্ব বিশ্লেষণক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন