advertisement

বিশ্বজুড়ে গণিতবিদেরা কেন কাঁদছেন

বিশ্বজুড়ে গণিতবিদেরা কেন কাঁদছেন
গণিতের বিভিন্ন তত্ত্বকে কিছু মৌলিক স্বীকার্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছিলেন গণিতবিদ ডেভিড হিলবার্ট
ফটো কার্ড প্রিন্ট

গণিতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের কৌতূহল, আবিষ্কারের আনন্দ, বছরের পর বছর সাধনা আর তীব্র আবেগ। এটি কেবল সংখ্যা, সূত্র বা খটমটে সমীকরণ নয়। একটি গাণিতিক সমস্যার সমাধান ঠিক হলো কি না, তা হয়তো মানুষের কান্না বা হাসি দিয়ে বোঝার কোনো উপায় নেই।

অথচ সম্প্রতি বিশ্বের নামকরা গণিতবিদেরা কেউ কেউ হতাশায় কেঁদেছেন, কেউ নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ বুঝেই উঠতে পারছেন না যে এত দিনের চেনা জগতে তাঁদের আসল জায়গাটা এখন কোথায়! গণিতের জগতে এমন আবেগঘন ও হতাশাজনক পরিস্থিতির কারণ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর ওপেনএআই এমন এক এআই মডেল থেকে পাওয়া শত শত গাণিতিক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে, যা গণিতের জগতে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

এসব গবেষণাপত্রে ছিল ৩৭২টি জটিল গাণিতিক সমস্যার প্রমাণ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

কার্টুন ও মিম বানিয়ে ফেসবুকে দিয়ে ‘কোটি টাকার ব্যবসা’ করেছেন দুই ভাই কার্টুন ও মিম বানিয়ে ফেসবুকে দিয়ে ‘কোটি টাকার ব্যবসা’ করেছেন দুই ভাই অনৈতিক আচরণ শনাক্ত হলে গোপনে কথোপকথন পর্যালোচনা করবে ক্লড অনৈতিক আচরণ শনাক্ত হলে গোপনে কথোপকথন পর্যালোচনা করবে ক্লড কুশিগাঙের শীর্ণ দশা কুশিগাঙের শীর্ণ দশা পোশাকে বাঁধাধরা ছক নয়, নিজস্ব স্টাইলেই আবেদন কাড়েন এই সুন্দরী পোশাকে বাঁধাধরা ছক নয়, নিজস্ব স্টাইলেই আবেদন কাড়েন এই সুন্দরী আবু ইসহাক: প্রান্তিক জীবনের দরদি রূপকার আবু ইসহাক: প্রান্তিক জীবনের দরদি রূপকার
advertisement

পছন্দের দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ইন্দিরা

পছন্দের দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ইন্দিরা
নয়াদিল্লির ত্রিমূর্তি ভবনে শায়িত ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মরদেহ। পাশে তাঁর ছেলে রাজীব গান্ধী (বাঁয়ে)। ইন্দিরা গান্ধী তাঁর দুই শিখ দেহরক্ষীর হাতে নিহত হন। ৩১ অক্টোবর, ১৯৮৪

১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর পছন্দের শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে নিহত হন। ‘অপারেশন ব্লু স্টার’-এর জের ধরে এই ট্র্যাজিক হত্যাকাণ্ড ঘটে, যা ভারতের ইতিহাসে এক রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।দিনটি আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই ছিল। সকাল থেকে চারপাশ রোদ-ঝলমলে। অন্যান্য কর্মব্যস্ত দিনের মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে সাড়ে সাতটার মধ্যে তিনি তৈরি হয়ে যান।

আলমারি থেকে বেছে নেন কালো পাড়ের গেরুয়া রঙের একটি শাড়ি। দিনের শুরুতেই বিদেশি এক তথ্যচিত্র নির্মাতার সঙ্গে শুটিং আছে। তাই, হয়তো এই শাড়িটি বেছে নিয়েছিলেন। শাড়ি পরে তৈরি হয়ে আসেন নাশতার টেবিলে। নাশতার পর মেকআপম্যান তাঁর মুখে সামান্য পাউডার ও ব্লাশার লাগিয়ে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যে হাজির হন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক কে পি মাথুর, নিয়মমাফিক তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। দিনটি ছিল ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর।

সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দিনের প্রথম সাক্ষাৎসূচি (অ্যাপয়েন্টমেন্ট) দেওয়া ছিল পিটার উস্তিনভকে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কার্টুন ও মিম বানিয়ে ফেসবুকে দিয়ে ‘কোটি টাকার ব্যবসা’ করেছেন দুই ভাই

কার্টুন ও মিম বানিয়ে ফেসবুকে দিয়ে ‘কোটি টাকার ব্যবসা’ করেছেন দুই ভাই
নাজমুস শাহাদাত ও নাজমুস সাকিব

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরপরই নাজমুস শাহাদাত ভাবতে শুরু করেছিলেন, হাতখরচটা এবার নিজেকেই জোগাড় করতে হবে। বড় ভাই নাজমুস সাকিব তখন চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ছাত্র। দুই ভাই মিলে খুঁজতে থাকেন আয়ের পথ। তাঁদের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে। শাহাদাত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার ছাত্র। তাই এ ক্ষেত্রেই শুরুতে ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছেন। কাজও করেছেন কিছুদিন। কিন্তু মন টেকেনি।

এরপর দুই ভাই ধীরে ধীরে অনলাইন ব্যবসার অলিগলিতে ঢুঁ মারতে শুরু করেন। প্রথমে ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলে বিভিন্ন বিষয়ের ছবি দিয়ে ‘স্লাইড শো’ তৈরি করতেন শাহাদাত। তাতে খুব একটা সাড়া মেলেনি। পরে ‘ফেসবুক বোনাস’ (রিল, ছবি ও লেখার মাধ্যমে মেটা থেকে আয়), কনটেন্ট মনিটাইজেশন, এমন নানা কিছু সম্পর্কে ধারণা নেন। তখনো অনলাইনে পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা তাঁদের ছিল না।

বরং দুই ভাইই খুঁজছিলেন, কী ধরনের কনটেন্ট তৈরি করলে নেটিজেনদের মনোযোগ পাওয়া যাবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

অনৈতিক আচরণ শনাক্ত হলে গোপনে কথোপকথন পর্যালোচনা করবে ক্লড

অনৈতিক আচরণ শনাক্ত হলে গোপনে কথোপকথন পর্যালোচনা করবে ক্লড
অ্যানথ্রপিক ক্লডে হওয়া কথাবার্তা পর্যালোচনা করবে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবট ক্লডে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করেছে অ্যানথ্রপিক। ‘সেলফ অ্যাসেসমেন্ট’ নামের এ ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীর সঙ্গে হওয়া কথোপকথন নিজেই পর্যালোচনা করে সম্ভাব্য ক্ষতিকর আচরণ শনাক্ত করবে ক্লড। কোনো কথোপকথনে অনৈতিক বা বিপজ্জনক কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে সেটি মানব পর্যালোচনার জন্য চিহ্নিত করে রাখা হবে। তবে এ প্রক্রিয়ার সময় ব্যবহারকারীকে কোনো সতর্কবার্তা দেওয়া হবে না।

অ্যানথ্রপিকের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জুন থেকেই ক্লড ফেবল ৫ ও বিভিন্ন মডেলে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, ক্লডের প্রতিটি উত্তর তৈরির পরই নেপথ্যে কথোপকথনের নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা হয়। এ জন্য চ্যাটবটটিকে নিজের তৈরি উত্তরসহ পুরো কথোপকথন পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার মতো আগে থেকে নির্ধারিত নিয়মের তালিকার ওপর নির্ভর করে না এ পদ্ধতি।

বরং ক্লডের নিজস্ব বিশ্লেষণক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন