advertisement

ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে

ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

না বুঝে কোরআন পড়লে সওয়াব নিশ্চয় হবে, কিন্তু কোরআনের অর্থ না জানলে পাঠের উদ্দেশ্যই ব্যহত হয়ে যায়। তখন তা না বুঝে কোনো যন্ত্র পরিচালনার নির্দেশিকা পড়ার মতোই হয়ে যায়।তবে কর্মব্যস্ত জীবনে সবার পক্ষে মাদ্রাসায় গিয়ে বা দীর্ঘ সময় দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোরআনের অর্থ ও তাফসির শেখা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

তাই অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—একা একা কি কোরআনের অর্থ শেখা সম্ভব?এর উত্তর হলো—হ্যাঁ, সঠিক পদ্ধতি ও একাগ্রতা থাকলে ঘরে বসেই কোরআনের মর্মার্থ আয়ত্ত করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা ও সুনির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করা অপরিহার্য।১. বিশুদ্ধ নিয়ত, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা যেকোনো ইবাদতের মতো কোরআন শেখার প্রথম শর্ত হলো বিশুদ্ধ নিয়ত।

শুধু জ্ঞান জাহির বা বিতর্কে জেতার জন্য নয়, বরং নিজের জীবন বদলানোর নিয়তে কোরআন অধ্যয়ন শুরু করতে হবে।কোরআন নিজেই তার পাঠকের জন্য সহজ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, ‘আর আমি তো কোরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি; অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?’ (সুরা কমার, আয়াত: ১৭)অধ্যয়ন শুরুর আগে মহান আল্লাহর কাছে কোরআনের জ্ঞান উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করা উচিত।শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভি (রহ.)কোরআনের অর্থ সঠিকভাবে অনুধাবনের জন্য ‘শানে নুজুল’ বা আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপট জানা জরুরি; অন্যথায় অনেক আয়াতের খণ্ডিত অর্থ বুঝে বিভ্রান্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।শিশুর কোরআন শিক্ষা শুরু করার উপয...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে ৮০ পেরিয়েও গাছ লাগানোর নেশা ছাড়তে পারেননি কার্তিক পরামানিক ৮০ পেরিয়েও গাছ লাগানোর নেশা ছাড়তে পারেননি কার্তিক পরামানিক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে যাবেন? জেনে রাখুন ১০টি তথ্য সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে যাবেন? জেনে রাখুন ১০টি তথ্য শেষ হলো নাসার সুইফট মহাকাশ অভিযান শেষ হলো নাসার সুইফট মহাকাশ অভিযান করসেট ব্লাউজের স্টাইলিংয়ে শাড়ি-স্কার্টে আবেদন ছড়ালেন কৌশানী করসেট ব্লাউজের স্টাইলিংয়ে শাড়ি-স্কার্টে আবেদন ছড়ালেন কৌশানী
advertisement

এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল

এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন

প্রশ্নটা শুরুতেই করতে হচ্ছে—মিরপুর টেস্ট হবে কার? বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নাকি ‘অর্ণবে’র! এই টেস্টে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আবহাওয়ার পূর্বাভাস ‘অর্ণব’, মানে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের দিকেও কিছুটা হেলে আছে। আজ টেস্টের প্রথম দিন বৃষ্টি হতে পারে ঢাকায়। গতকাল পর্যন্ত বৃষ্টির শঙ্কা দেখা যাচ্ছিল পরের দুই দিনেও।বাংলাদেশ কোনোভাবেই চাইবে না, এই টেস্টে ‘অর্ণবে’র বাধা আসুক বা টেস্টটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে যাক।

আগামী ১৪ জুন লর্ডসে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল শুরু। পয়েন্ট তালিকায় চারে থাকা বাংলাদেশের ফাইনালে যেতে হলে বর্তমান চক্রে হাতে থাকা ছয় টেস্টের অন্তত চারটিতে জিততেই হবে, যার শুরুটা তারা করতে চাইবে এই টেস্ট দিয়ে। পয়েন্ট তালিকায় আটে থাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবশ্য সে রকম কোনো চাপ নেই। সেরা পাঁচে থেকে চক্র শেষ করতে পারলেই তারা খুশি।

তাতে অন্তত বাড়তি কিছু আর্থিক সুবিধা তো মিলবে!ছয় টেস্টে চার জয়কে বাংলাদেশের জন্য অন্য কোনো সময়ে দূরের কল্পনা বলেই মনে হতো।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ডলারের আশায় ই-টিন!

ডলারের আশায় ই-টিন!

আজ থেকে বছর দুয়েক আগের কথা। ইউটিউবে তখন ‘ফেসবুক থেকে মাসে লাখ টাকা আয়’ টাইপের ভিডিওর খুব রমরমা অবস্থা। থাম্বনেইলে এমন সব এডিটিং, যেন ল্যাপটপ খুলে বসলেই স্ক্রিন থেকে ডলারের বান্ডিল বের হয়ে সোজা পকেটে ঢুকে যাবে।এসব মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে আমার ভেতরেও বিলিয়নিয়ার হওয়ার সুপ্ত বাসনা জেগে উঠল। ভাবলাম, মার্ক জাকারবার্গ যখন দুই হাত ভরে টাকা বিলোচ্ছেন, তখন আমি কেন গরিব হয়ে বসে থাকব!

শুরু হলো ফেসবুক থেকে ডলার কামানোর মিশন।ইউটিউবের ওই ভিডিওতেই শুনলাম, ডলার হাতে পেতে নাকি একটা ‘ই-টিন’ সার্টিফিকেট লাগে। ই-টিন জিনিসটা আসলে কী, এটা দিয়ে কী করে, সে বিষয়ে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ বা ধারণা ছিল না। আমার তখন একটাই লক্ষ্য—ডলার!আমার মনে হচ্ছিল, এই সার্টিফিকেটটা হচ্ছে আলাদিনের জাদুর চেরাগ।

এটা কোনোমতে বানিয়ে ফেসবুকে আপলোড করে দিলেই, জাকারবার্গ সাহেব খুশিতে গদগদ হয়ে সরাসরি আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডলারের বস্তা পাঠিয়ে দেবেন।আমি ইনকাম ট্যাক্স দেওয়া তো দূরের কথা, আমার আর্থিক অবস্থা এমন যে সরকার চাইলে আমাকেই উল্টো কিছু বেকার ভাতা দিতে পারে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে
নির্বাচনী প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্প

একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদের শেষ দুই বছরে যখন কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে যায়, জনপ্রিয়তার পারদ তলানিতে গিয়ে ঠেকে এবং নিজ দল পরবর্তী উত্তরসূরি নিয়ে ভাবতে শুরু করে, তখন ওভাল অফিসের অধিপতির ক্ষমতা যেন ধীরে ধীরে বিলীন হতে থাকে।

বিশেষ করে দ্বিদলীয় সহযোগিতার ছিটেফোঁটাও না থাকা এই যুগে অভ্যন্তরীণ আইন প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়ে।তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনগুলো যত ঘনিয়ে আসে এবং প্রেসিডেন্টরা নিজেদের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথা চিন্তা করতে থাকেন, তখন তাঁদের সামনে একটা জায়গাই বাকি থাকে—বাকি বিশ্বের ওপর প্রভাব খাটানো।১৯৯২ সালে নিজ মেয়াদের শেষ সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ দুর্ভিক্ষ দূর করার লক্ষ্যে সোমালিয়ায় ২৮ হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছিলেন।

বিল ক্লিনটনের ক্ষেত্রে তা ছিল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত অবসানের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার একটি একনিষ্ঠ কিন্তু ব্যর্থ প্রচেষ্টা।অন্যদিকে বারাক ওবামা কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে হাভানা সফর করেছিলেন, যার মাধ্যমে রচিত হয় এক ঐতিহাসিক অধ্যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন