advertisement

প্রতিরক্ষা খাতের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ডুবোটেকের নতুন চেয়ারম্যান

প্রতিরক্ষা খাতের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ডুবোটেকের নতুন চেয়ারম্যান
ডুবোটেক ডিজিটাল লিমিটেডের প্রতীক
ফটো কার্ড প্রিন্ট

প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ডুবোটেক ডিজিটাল লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সাফিউস সামি আলমগীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ডুবোটেক দেশের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি তৈরি করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, উন্নত রোবোটিকস ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির বিকাশে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটি তাঁর নেতৃত্বে নতুন প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বলে আশা করা যায়।

সাফিউস সামি আলমগীর টাম্পাকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ ফ্লেক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিইপিআইএ) সভাপতি। উৎপাদনশিল্প, শিল্পোন্নয়ন, বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ডুবোটেকের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ব্যবসায়িক পরিধি সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর এই দায়িত্ব গ্রহণ প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।ডুবোটেক একটি দেশীয় প্রতিরক্ষা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান, যা সামরিক রোবোটিকস ব্যবস্থার জন্য ফোর্টিস নামের একটি এআইনির্ভর অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ভিসা নথির জালিয়াতি কমাতে পারে ভিজিবল ডিজিটাল সিল ভিসা নথির জালিয়াতি কমাতে পারে ভিজিবল ডিজিটাল সিল উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি স্টারলিংক কীভাবে কাজ করে স্টারলিংক কীভাবে কাজ করে পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়িয়ে বাজার ধরছে ‘ইনোভার’ পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়িয়ে বাজার ধরছে ‘ইনোভার’ ছয় বছর পর রামপালে জানুয়ারিতে হচ্ছে জ্ঞানমেলা ছয় বছর পর রামপালে জানুয়ারিতে হচ্ছে জ্ঞানমেলা
advertisement

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভেতরে ও পল্লবী থানা ফটকে ককটেল বিস্ফোরণ

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভেতরে ও পল্লবী থানা ফটকে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রধান কার্যালয়ের ভেতরে এবং পল্লবী থানার মূল ফটকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত ভিডিওতে...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বিল নিয়ে তর্ক করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন, তিন দিন পর বিদ্যুৎ পেলেন সেই গ্রাহক

বিল নিয়ে তর্ক করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন, তিন দিন পর বিদ্যুৎ পেলেন সেই গ্রাহক
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বিল বেশি আসা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে গ্রাহকের বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ ওঠার তিন দিন পর বিদ্যুৎ পেয়েছেন গ্রাহক স্বপন মিয়া। আজ রোববার দুপুরে তাঁর বাড়িতে বিদ্যুৎ–সংযোগ পুনঃস্থাপন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনায় গতকাল শনিবার প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে এবং আজ রোববার ছাপা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

আজ সন্ধ্যায় মুঠোফোনে স্বপন মিয়ার স্ত্রী আসমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, বেলা আড়াইটার দিকে যাঁরা আগে তাঁদের বাড়ির বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিলেন, তাঁদের দুজনসহ মোট তিনজন বাড়িতে আসেন। পরে মিটারে তার সংযুক্ত করে বিদ্যুৎ–সংযোগ চালু করে দেন।আসমা আক্তার বলেন, সংযোগ দেওয়ার আগে ওই ব্যক্তিরা তাঁর কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিতে চেয়েছিলেন।

তবে তিনি তাতে স্বাক্ষর করেননি।শুধু বিল বেশি আসার কারণ জানতে চাওয়ায় তাঁকে এভাবে হয়রানি করা হলো কেন, পল্লী বিদ্যুতের কর্মীদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বলে জানান আসমা আক্তার।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

শব্দের মানচিত্র

শব্দের মানচিত্র

কেবল একটি কবিতার জন্য অহোরাত্র শব্দের সাথে যাপন। অবাধ্য অক্ষরেরা চঞ্চল, অতিশয় অস্থির— সহসা ভেঙে দেয় শৃঙ্খলা। আমি তবু বিন্যাসে বিন্যাসে আঁকি এক মানচিত্র। দাবাড়ুর মাপা দানে যেভাবে চেনা যায় খেলা, শব্দের অভিঘাতে ঠিক সেভাবেই সরে যায় দৃশ্যপট— ভেসে ওঠে বিচিত্র আখ্যান; কখনো বিষাদলিপি, কখনো তীব্র কোলাহল, কখনো সাম্য ও সংহতির স্বর, কখনো বা নিস্পৃহ একাকিত্ব ও শাশ্বত অমরতা। কেবল একটি কবিতার জন্য শব্দ সাজাই।

অথচ শব্দেরা এখানে গড়ে তোলে নিজস্ব খেরোখাতা— রাজনীতি, অপশক্তি ও অপসংস্কৃতির চোরাবালি; কখনো দেশপ্রেমের কুশলী মুখোশ, কখনো দেশদ্রোহের সুনিপুণ অভিনয়। অক্ষরেরা ফের অবাধ্যতায় মাতে। পুনরায় বিন্যস্ত করি, আঘাত হানি— তাতে কার কী বা এসে যায়! ওরা তো নিজস্ব ব্যাকরণে শুধু বহুরূপী। কখনো পাশে এসে দাঁড়ায় এক দীর্ঘ প্রশ্নচিহ্ন, কখনো স্তব্ধ বিস্ময়— জিজ্ঞাসা বাড়ে, বিস্ময় ঘনীভূত হয়, কিন্তু উত্তর মেলে না।

কেবল একটি কবিতার জন্য তবু আমি অবাধ্য শব্দ কুড়োই।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন