advertisement

টেস্টের আগের দিন ব্যথা পেলেন মুশফিক, খেলতে তৈরি লিটন

টেস্টের আগের দিন ব্যথা পেলেন মুশফিক, খেলতে তৈরি লিটন
আজ নেটে ব্যাটিং করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়েছেন মুশফিক।
ফটো কার্ড প্রিন্ট

মূল মাঠে হালকা গা গরম আর ফিল্ডিং অনুশীলনের পর বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা গিয়েছিলেন একাডেমি মাঠে। সেখানে আলাদা তিনটি নেটে ব্যাটিং করছিলেন মুশফিকুর রহিম, তানজিদ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়।এর মধ্যেই নেট বোলারের একটি বাউন্সার এসে লাগে মুশফিকের আঙুলে। ব্যথায় সঙ্গে সঙ্গেই নেটের পাশে বসে পড়েন তিনি। একটু পর নেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে চেয়ারে বসেন।

সেখানেই জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে শুশ্রুষা চলে তাঁর।তাঁকে লম্বা সময় ব্যথায় কাতরাতেও দেখা গেছে। পরে তিনি আর ব্যাটিং করেননি। মিনিট বিশেক একাডেমি মাঠে শুশ্রুষা শেষে ডানহাতের তজর্নীতেে টেপ পেঁচিয়ে ফিরে গেছেন ড্রেসিংরুমে। তাঁর ব্যথা কতটা গুরুতর, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি।আঙুলে ব্যথা পেয়েছেন মুশফিক। ব্যথা পেয়ে নেট ছেড়ে বেরিয়ে আসেনঘটনাটা আজ বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে।

মুশফিক ব্যথা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরই নেটে উইকেটকিপিং করেছেন লিটন দাস।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

মাও সে–তুংকে নিয়ে ‘রসিকতা’, চীনে বিপাকে এমবাপ্পে মাও সে–তুংকে নিয়ে ‘রসিকতা’, চীনে বিপাকে এমবাপ্পে গেম অব থ্রোনসের ‘সানসা স্টার্ক’ এবং আরও যে তারকারা ছিলেন লন্ডনের রাতে গেম অব থ্রোনসের ‘সানসা স্টার্ক’ এবং আরও যে তারকারা ছিলেন লন্ডনের রাতে হার না–মানা এক রানির বার্সেলোনা থেকে লন্ডন জয় হার না–মানা এক রানির বার্সেলোনা থেকে লন্ডন জয় ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন মেসি এবার ব্যালন ডি’অরে পঞ্চম, অন্যরা কে কত নম্বরে মেসি এবার ব্যালন ডি’অরে পঞ্চম, অন্যরা কে কত নম্বরে
advertisement

পরিবার একটু সচেতন ও সহানুভূতিশীল হলে সন্তান ভুল পথে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে

পরিবার একটু সচেতন ও সহানুভূতিশীল হলে সন্তান ভুল পথে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে
পরামর্শ প্রদান করেন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক।

প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় গত ২৯ নভেম্বর প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৭৩তম পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক।

‘আমাকে কেউ বোঝে না (মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের মনের দূরত্ব)’—এই বিষয়ের ওপর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ। উক্ত আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।সন্তানের বয়ঃসন্ধিকাল বিষয়ে অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, বয়ঃসন্ধিকালমানুষের জীবনে এক বিরাট পরিবর্তনের সময়।

এ সময় শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের পাশাপাশি কিশোর-কিশোরীদের মনে নানামুখী কৌতূহল, বিভ্রান্তি ও আবেগের ওঠানামা কাজ করে।‘ তাঁর এই বক্তব্যের আলোকে কিছু দিক বিশেষভাবে বিবেচনা করা যায় যেমন-আবেগীয় সংবেদনশীলতা ও সুরক্ষা: যেসব শিশুর মধ্যে মানসিক নাজুকতা বা সংবেদনশীলতা বেশি থাকে, তারা পরিবেশের যেকোনো নেতিবাচক প্রভাব বা মানসিক চাপ খুব দ্রুত নিজের মধ্যে টেনে নেয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

এআই শেখার ৭ দিনের চ্যালেঞ্জ

এআই শেখার ৭ দিনের চ্যালেঞ্জ

রোববার সকাল ৮টা। ৪৫ বছর বয়সী সালমা (ছদ্মনাম) চায়ের কাপ হাতে বললেন, ‘এআই আমার জন্য নয়, ওসব কম বয়েসীদের কাজ।’ কিন্তু সত্যি বলতে, এআই শেখা সাইকেল চালানো শেখার মতো। একবার শুরু করলেই হয়।

কোনো বয়স লাগে না।চলুন, সাত দিনের ছোট একটা চ্যালেঞ্জ নিই১. রোববার: একটা সহজ প্রশ্ন করুন, যেমন ‘আজ রান্নায় কী করব?’২. সোমবার: একটা ই–মেইল বা আবেদনের খসড়া লিখিয়ে নিন।৩. মঙ্গলবার: কঠিন কোনো বিষয় ‘দশ বছরের শিশুর মতো করে’ বোঝাতে বলুন।৪. বুধবার: এআইয়ের দেওয়া একটা তথ্য অন্য উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।৫. বৃহস্পতিবার: আগের প্রশ্ন আরও পরিষ্কার করে আবার লিখুন।৬. শুক্রবার: অ্যাপের গোপনীয়তা সেটিংস দেখে নিন।৭. শনিবার: কী শিখলেন, নিজের ভাষায় লিখে রাখুন।প্রতিদিনের কাজটা হবে মাত্র দশ মিনিটের।

এতে বাড়তি কোনো খরচ বা বিশেষ জ্ঞান লাগবে না, শুধু একটা স্মার্টফোন আর কৌতূহল হলেই চলবে।বিশেষ সতর্কতাপুরো সপ্তাহে এই কাজে কোথাও ব্যক্তিগত পরিচয়, পাসওয়ার্ড বা ব্যাংকের/কার্ডের তথ্য কখনো লিখবেন না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কোরআনে সুরা তওবার শুরুতে বিসমিল্লাহ নেই কেন

কোরআনে সুরা তওবার শুরুতে বিসমিল্লাহ নেই কেন

কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে ১১৩টি শুরু হয়েছে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ দিয়ে। ব্যতিক্রম শুধু সুরা তওবা। আল্লাহর কালামের প্রতিটি শব্দ যেখানে সযত্নে সংরক্ষিত, সেখানে একটি সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহ না থাকার কারণ কী?আলোচনা করা যাক।খলিফা ওসমানের বর্ণনা এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল খলিফা ওসমান ইবনে আফফানের বক্তব্য।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) একবার তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, সুরা আনফাল ও সুরা তওবার বিষয়বস্তু কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও তিনি কেন দুটি সুরা পাশাপাশি রেখেছেন, অথচ মাঝখানে বিসমিল্লাহ লেখেননি?প্রত্যুত্তরে ওসমান (রা.) কোরআন সংকলনের সময়কার পটভূমি তুলে ধরেন:নবীজির কাছে কখনো পূর্ণ সুরা, কখনো একাধিক আয়াত অবতীর্ণ হতো। ওহি এলে তিনি ওহি লেখকদের ডেকে বলে দিতেন, কোন আয়াত কোন সুরার কোথায় বসবে।

আনফাল ছিল মদিনায় অবতীর্ণ হওয়া প্রথম দিকের সুরাগুলোর একটি, আর তওবা ছিল শেষ দিকে নাজিল হওয়া অংশের অন্যতম।দুই সুরার বিষয়বস্তুতেও মিল ছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন