advertisement

কম্পিউটার বাজারে প্রযুক্তিপণ্যের দামে কোনো পরিবর্তন নেই

কম্পিউটার বাজারে প্রযুক্তিপণ্যের দামে কোনো পরিবর্তন নেই
ইসিএস কম্পিউটার সিটিতে পছন্দের পণ্য কিনছেন এক ক্রেতা
ফটো কার্ড প্রিন্ট

চলতি সপ্তাহে ঢাকার কম্পিউটার বাজারে প্রযুক্তিপণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, র‍্যাম, প্রসেসর, মাদারবোর্ড, এসএসডি, গ্রাফিকস কার্ড, হার্ডডিস্ক, মনিটরসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য গত সপ্তাহের দামেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা।

ঢাকার একাধিক কম্পিউটার বাজার ঘুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি প্রযুক্তিপণ্যের দাম তুলে ধরা হলো।প্রসেসরইন্টেল: কোর আলট্রা ৯ ২৮৫কে ৫.৭০ গিগাহার্টজ (গি.হা.) ৬২ হাজার টাকা, কোর আই-৯ ৬.০০ গি.হা. ১৪ প্রজন্ম র‍্যাপ্টর লেক রিফ্রেশ ৫৬ হাজার টাকা, কোর আলট্রা ৭ ২৬৫কে (৫.৫ গি.হা.) ৩৫ হাজার টাকা, কোর আই-৭ ৫.৬০ গি.হা. ১৪ প্রজন্ম ৫০ হাজার টাকা, কোর আই-৭ ৫.৪০ গি.হা. ১৩ প্রজন্ম ৪৩ হাজার টাকা, কোর আলট্রা–৫ ২৪৫ কেএফ (৫.২ গি.হা.) ৩৮ হাজার টাকা, কোর আই–৫ (৫.৩০ গি.হা.) ১৪৬০০কেএফ ১৪ প্রজন্ম ৩৮ হাজার টাকা, কোর আই–৫ (৪.৬০ গি.হা.) ১৩ প্রজন্ম ১৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং কোর আই–৩ (৪.৫০ গি.হা.) ১৩ প্রজন্ম ১৬ হাজার ৫০০ টাকা।এএমডি: রাইজেন–৯ ৭৯৫০এক্স ৪.৫ গি.হা. ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা, রাইজেন–৭ ৫৭০০জি ৩.৮–৪.৬ গি.হা. ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, রাইজেন–৫ ৫৬০০জি ৩.৬–৪.৬ গি.হা. ১৯ হাজার টাকা।মাদারবোর্ডএমএসআই: এ৫২০ এম–এ প্রো (ডিডিআর ৪) ৭ হাজার ২০০ টাকা, প্রো এইচ ৬১০ এম–ই (ডিডিআর ৪) ১০ হাজার টাকা, বি৪৫০ এম–এ প্রো ম্যাক্স ৮ হাজার ৫০০ টাকা, এইচ৮১০ এম–বি (ডিডিআর ৫) ১৬ হাজার ৭০০ টাকা, বি৬৫০ এম গেম...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

সাইবার হামলার ঝুঁকিতে ৩টি মডেলের আইফোন, সতর্ক করল অ্যাপল সাইবার হামলার ঝুঁকিতে ৩টি মডেলের আইফোন, সতর্ক করল অ্যাপল আপনার স্ক্রল কে ঠিক করে দেয় আপনার স্ক্রল কে ঠিক করে দেয় পাসকি কী, পাসকি কেন নিরাপদ পাসকি কী, পাসকি কেন নিরাপদ ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ সামনে রেখে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ সামনে রেখে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান কুকি চুরি করে যেভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়াই অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রতারকেরা কুকি চুরি করে যেভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়াই অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রতারকেরা
advertisement

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন এক ভোটার

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এর আগে গতকাল বুধবার দুপুরে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়। ভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ২৭২ পুলিশ সদস্য ও ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে আছেন। চার বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ ১৭৭ দেশি-স্থানীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার কথা আছে।ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬৮। নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬ জন।

আর হিজড়া ভোটার ৪ জন।সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে থাকা ৯৮৯টি ভোটকক্ষে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

দ্রুত চিকিৎসক–সংকট দূর করুন

দ্রুত চিকিৎসক–সংকট দূর করুন

নাগরিকের চিকিৎসাসেবা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত।

কিন্তু যদি এমন হয়, একটি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চার মাসের বেশি সময় ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ, দুর্ঘটনার শিকার মুমূর্ষু মানুষের জীবন রক্ষায় নির্মিত ট্রমা সেন্টার অকার্যকর, আরেকটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন জরাজীর্ণ হওয়ায় প্রায় পরিত্যক্ত, আবার কোথাও কলেজের একটি ঘরে গাদাগাদি করে নামকাওয়াস্তে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে কিংবা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, তবে বুঝতে হবে রাষ্ট্রের কাছে নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার মোটেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।

প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে উঠে আসা কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবার এই চিত্র গভীর উদ্বেগের ও বেদনার।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বছরের শুরুর দিনই পাঠ্যবই পৌঁছানো হোক

বছরের শুরুর দিনই পাঠ্যবই পৌঁছানো হোক

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী শিখনঘাটতি নিয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে উঠছে। শিক্ষক ও শিক্ষা উপকরণের ঘাটতি এর বড় কারণ হলেও শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো পাঠ্যবই তুলে দিতে না পারার ব্যর্থতাও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। গত দুই শিক্ষাবর্ষের অভিজ্ঞতা তার বড় দৃষ্টান্ত। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সময়মতো পাঠ্যবই ছাপা না হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

এবারেও নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। ফি বছর এমন মন্দ দৃষ্টান্তের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।প্রথম আলোর খবর জানাচ্ছে, আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপা হচ্ছে। প্রাথমিকের ক্ষেত্রে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৮৬ শতাংশের বেশি বই ছাপা হয়েছে, সরবরাহ করা হয়েছে ৭৪ শতাংশ।

কিন্তু মাধ্যমিকের চিত্র ভিন্ন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন