advertisement

আলভারেজ না পাজ—আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি কার

আলভারেজ না পাজ—আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি কার
হুলিয়ান আলভারেজ ও নিকো পাজ
ফটো কার্ড প্রিন্ট

আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি। শুধুই একটা সংখ্যা? মোটেও না। এ জার্সির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ডিয়েগো ম্যারাডোনার জাদু, লিওনেল মেসির মহাকাব্য। আর্জেন্টাইন ফুটবলে ১০ নম্বর মানেই যেন বিশেষ কিছু। একটুকরা কাপড়ে সেলাই করা একটা সংখ্যা, অথচ তার ভার পাহাড়সমান!গত আগস্টে মেসি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার পর থেকেই তাই আর্জেন্টিনার ফুটবলে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

কে হবেন মেসির ১০ নম্বর জার্সির উত্তরসূরি?বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞের চোখে উত্তরটা নিকো পাজ। কিন্তু আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান রোমেরো অন্য একজনকে বেছে নিয়েছেন। তাঁর পছন্দ হুলিয়ান আলভারেজ।মজার ব্যাপার, রোমেরো যাঁকে ১০ নম্বর জার্সির যোগ্য মনে করছেন, সেই আলভারেজই নাকি জার্সিটা পরতে চান না!

আর্জেন্টিনার দুই সাংবাদিক ভাই এস্তেবান এদুল ও গাস্তন এদুলের পরিচালিত ‘লস এদুল’ ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোমেরো বলেন, ‘আমার মতে, হুলিয়ানের ১০ নম্বর পরা উচিত।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ফিফার নতুন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, কী এই টুর্নামেন্ট, কেমন খেলছে ছেলেরা ফিফার নতুন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, কী এই টুর্নামেন্ট, কেমন খেলছে ছেলেরা আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৯ অক্টোবর ২০২৬) আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৯ অক্টোবর ২০২৬) মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, এমবাপ্পের জন্য চীনের কাছে ক্ষমা চাইল রিয়াল মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, এমবাপ্পের জন্য চীনের কাছে ক্ষমা চাইল রিয়াল র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠার দিনে ইয়ানসেনের মাইলফলক র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠার দিনে ইয়ানসেনের মাইলফলক মা হারালেন বিশ্বজয়ী কোচ স্কালোনি মা হারালেন বিশ্বজয়ী কোচ স্কালোনি
advertisement

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন এক ভোটার

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এর আগে গতকাল বুধবার দুপুরে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়। ভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ২৭২ পুলিশ সদস্য ও ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে আছেন। চার বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ ১৭৭ দেশি-স্থানীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার কথা আছে।ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬৮। নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬ জন।

আর হিজড়া ভোটার ৪ জন।সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে থাকা ৯৮৯টি ভোটকক্ষে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

দ্রুত চিকিৎসক–সংকট দূর করুন

দ্রুত চিকিৎসক–সংকট দূর করুন

নাগরিকের চিকিৎসাসেবা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত।

কিন্তু যদি এমন হয়, একটি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চার মাসের বেশি সময় ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ, দুর্ঘটনার শিকার মুমূর্ষু মানুষের জীবন রক্ষায় নির্মিত ট্রমা সেন্টার অকার্যকর, আরেকটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন জরাজীর্ণ হওয়ায় প্রায় পরিত্যক্ত, আবার কোথাও কলেজের একটি ঘরে গাদাগাদি করে নামকাওয়াস্তে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে কিংবা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, তবে বুঝতে হবে রাষ্ট্রের কাছে নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার মোটেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।

প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে উঠে আসা কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবার এই চিত্র গভীর উদ্বেগের ও বেদনার।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বছরের শুরুর দিনই পাঠ্যবই পৌঁছানো হোক

বছরের শুরুর দিনই পাঠ্যবই পৌঁছানো হোক

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী শিখনঘাটতি নিয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে উঠছে। শিক্ষক ও শিক্ষা উপকরণের ঘাটতি এর বড় কারণ হলেও শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো পাঠ্যবই তুলে দিতে না পারার ব্যর্থতাও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। গত দুই শিক্ষাবর্ষের অভিজ্ঞতা তার বড় দৃষ্টান্ত। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সময়মতো পাঠ্যবই ছাপা না হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

এবারেও নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। ফি বছর এমন মন্দ দৃষ্টান্তের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।প্রথম আলোর খবর জানাচ্ছে, আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপা হচ্ছে। প্রাথমিকের ক্ষেত্রে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৮৬ শতাংশের বেশি বই ছাপা হয়েছে, সরবরাহ করা হয়েছে ৭৪ শতাংশ।

কিন্তু মাধ্যমিকের চিত্র ভিন্ন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন