advertisement

গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু

গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু
ফটো কার্ড প্রিন্ট

গ্যাসের দাম বাড়লে কয়েকটি পরিচিত কারণের কথা শোনা যায়—আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে, ডলারের সংকট, পরিবহন ব্যয়, আমদানি খরচ অথবা সরবরাহের জটিলতা। এসব কারণের সঙ্গে তর্ক করা কঠিন। কারণ, এগুলোর বেশির ভাগই আমাদের চোখের আড়ালে ঘটে, আর চোখের আড়ালে ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুললে উত্তরও আসে বেশ আড়াল থেকেই।আমার ধারণা, গ্যাসের দাম বাড়ার পেছনে অন্য কারণ আছে। যে কারণগুলো এখনো অর্থনীতিবিদদের গবেষণায় উঠে আসেনি।

গভীর চিন্তাভাবনা করে গ্যাসের দাম বাড়ার পাঁচটি অব্যর্থ কারণ খুঁজে পেয়েছি।আর এ কারণগুলো এতই গুরুত্বপূর্ণ যে এখনই প্রকাশ না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। তাই একে একে তুলে ধরছি গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু।গ্যাসের দাম বাড়ার প্রথম হেতু: রান্নার বইয়ের ষড়যন্ত্রগ্যাসের দাম বাড়ার পেছনে দায়ী রান্নার বই! আজকাল রান্নার বইতে নতুন নতুন রেসিপি বের হচ্ছে। একেক বইয়ে একেক রকম রান্না। একেক পদের জন্য একেক রকম আয়োজন।

ফলে রান্নাঘরে গ্যাসের ব্যবহারও দিন দিন বাড়ছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

বাঁশি যার যার, বাঁশ সবার বাঁশি যার যার, বাঁশ সবার নতুন নাটক, সঙ্গে গান–কবিতা, ছুটির দিনে ঢাকায় কী দেখবেন নতুন নাটক, সঙ্গে গান–কবিতা, ছুটির দিনে ঢাকায় কী দেখবেন হাজারো আবেদনকারীকে পেছনে ফেলে সংগীত প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন নাভহান হাজারো আবেদনকারীকে পেছনে ফেলে সংগীত প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন নাভহান হাজারো আবেদনকারীকে পেছনে ফেলে সংগীত প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন নাভহান হাজারো আবেদনকারীকে পেছনে ফেলে সংগীত প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন নাভহান মোশাররফ করিমের আবৃত্তি, ‘আমি আড়িয়াল খাঁর জল বুঝি না, জ্যোৎস্না বুঝি না’ মোশাররফ করিমের আবৃত্তি, ‘আমি আড়িয়াল খাঁর জল বুঝি না, জ্যোৎস্না বুঝি না’
advertisement

নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে

নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শিক্ষা ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বিনা রক্তপাতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘রেজিম চেঞ্জ’

বিনা রক্তপাতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘রেজিম চেঞ্জ’
নির্বাচনে জয়ের পর স্ত্রীর সঙ্গে মিশিগানের নবনির্বাচিত সিনেটর আবদুল আল–সাইদ। ৪ নভেম্বর ২০২৬, মিশিগান

ইরানের সরকার পতনের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনবরত কামান দেগে গেছেন। বোমাবাজিতে কয়েক হাজার বেসামরিক মানুষ মারা হলো। হাজার দশেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করা হলো। ‘সব বোমার মা’, এমন এক মারণাস্ত্র ব্যবহারের হুমকিও দেওয়া হলো। কিন্তু আট মাস পরও ইরানের সরকার বহাল তবিয়তে রয়েছে। অথচ গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা কোনো বোমা না ফেলে, একটি গুলি না ছুড়েই বিনা রক্তপাতে নিজের দেশে একধরনের ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটিয়ে দিলেন।

ট্রাম্পকে তাঁরা প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরাননি, তবে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিয়ে তাঁর একচ্ছত্র ক্ষমতায় লাগাম পরিয়েছেন। ট্রাম্প নিজেই সমর্থকদের বলেছিলেন, ব্যালটে তাঁর নাম না থাকলেও তাঁরা যেন ধরে নেন তাঁর নাম রয়েছে। ভোটাররা যেন তাঁর সেই কথাই রেখেছেন, ভোটের রায় দিয়েছেন ট্রাম্প ও ট্রাম্পবাদের বিরুদ্ধে।

অনেকের ভাষায়, এটি শুধু নীল বা ডেমোক্রেটিক ঢেউ নয়, রীতিমতো সুনামি।গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা কোনো বোমা না ফেলে, একটি গুলি না ছুড়েই বিনা রক্তপাতে নিজের দেশে একধরনের ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটিয়ে দিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

রোনালদো থাকবেন ওখানেই

রোনালদো থাকবেন ওখানেই
পর্তুগালকে বিদায় বলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

২৩ বছরের আনন্দ–বেদনা, হাসি–কান্না, প্রাপ্তি–অপ্রাপ্তি সবকিছু সমাপ্তির ঘোষণা কিনা মিনিট পাঁচেকের এক ভিডিওতে! পরনে সব কটি বোতাম লাগানো অফ হোয়াইট রঙের টি–শার্ট, হাতে কয়েকটি কাগজ—সোফায় বসে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কী বলবেন, তা ওই কাগজেই লিখে নিয়েছিলেন। পড়ে শোনালেন সেটিই।

যেটির সারকথা, পর্তুগালের জার্সি গায়ে আর দেখা যাবে না তাঁকে।বাংলাদেশ সময় গতকাল বিকেল ৪টা ২১ মিনিটে পোস্ট করা হয়েছে ওই ভিডিও, যাতে পর্তুগালকে নিয়ে তাঁর আবেগের কথা আছে। রোনালদোর ‘ডিএনএ’ হয়ে ওঠা সেরা হওয়ার ওই তাড়নার কথা। আছে আরও অনেক কিছুই...। নিজেই লিখে থাকুন, বা তাঁর মুখে শুনে অন্য কেউ—কথাগুলো দারুণ। দেখে দেখে পড়ে গেলেন রোনালদো, মুখে মৃদু হাসিও কি ফুটে উঠল দু–একবার!ফুটবল মাঠে রোনালদোকে কাঁদতে দেখা গেছে অনেকবারই।

আন্তর্জাতিক অভিষেকের পরের বছরই, ২০০৪ ইউরো ফাইনালে গ্রিসের কাছে হারার পর কেঁদে ভাসিয়েছিলেন তখনো কিশোর রোনালদো।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন