মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
৪৫তম বিসিএস: গেজেট পেয়েও শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেননি ৪৫ জন
৪৫তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে গেজেট হয়েও ৪৫ জন চাকরিতে যোগ দেননি। ৪৫ পদ ফাঁকা রেখেই ৪৫তম শিক্ষা ক্যাডারের যোগদান প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রভাষক পদে যোগদানপত্র পাওয়ার পর যোগদানকারী ৩৩৯ জন প্রভাষকের যোগদানপত্র তাদের যোগদানের তারিখ থেকে গৃহীত হলো।
যেখানে বাংলা বিষয়ের প্রভাষক পদে ২৫ জন, ইংরেজি বিষয়ে ২৩, রাষ্ট্রবিজ্ঞান পদে ১৯, দর্শন বিষয়ে ১৪, অর্থনীতি বিষয়ে ১৭, প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে ১৮ জন প্রভাষক পদে যোগদান করেছেন বলে জানানো হয়।দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভিসায় পরিবর্তন, পড়া শেষে তিন বছর থাকার সুযোগএ ছাড়া ইতিহাসে ১২ জন, সমাজকল্যাণে ৯, রসায়নে ২৩, মনোবিজ্ঞানে ৫, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি পদে ২০, পদার্থবিদ্যা ১৭, উদ্ভিদবিদ্যায় ১৮, সমাজবিজ্ঞানে ৬, গণিতে ১৭, ভূগোলে ৮, মৃত্তিকাবিজ্ঞানে ২, হিসাববিজ্ঞান ১৮, মার্কেটিংয়ে ৫, ব্যবস্থাপনায় ১৯, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে ২, কৃষিবিজ্ঞানে ৫, পরিসংখ্যানে ৩, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও এন্টারপ্রেনিউরশিপে ১, প্রাতিষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা ১, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৩২ জন প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেছেন বলে জানানো হয়েছে সেখানে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের সূচিতেই ভর্তি আবেদন ও পরীক্ষা, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশএর আগে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর, ৪৫তম বিসি...
সূত্র: প্রথম আলো
একঝলক (৭ নভেম্বর ২০২৬)
শিম ফুলে বসেছে মৌটুসি পাখি। পানছড়ি, খাগড়াছড়ি, ৭ নভেম্বরজলাশয়ে কচুরিপানা খেতে নেমেছে গরু। পাশে উড়তে থাকা পোকা ধরতে ব্যস্ত বক। লবণচরা, খুলনা, ৭ নভেম্বররংপুরে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটার মৌসুম। ভালো ফলনে উৎসবমুখর পরিবেশে ধান কাটছেন কৃষিশ্রমিকেরা। বালাকোয়ার, রংপুর, ৭ নভেম্বরআলু রোপণের আগে জমিতে সার দিচ্ছেন শ্রমিকেরা। সাতারদিয়া, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, ৭ নভেম্বরসকালের রোদে বসে আছে শালিক পাখি।
বিলাইছড়ি পাড়া, রাঙামাটি, ৭ নভেম্বরবিলের পাশে সবজির মাচার খুঁটিতে বসে আছে খঞ্জনা পাখি। রাজাবাড়ি, শ্রীপুর, গাজীপুর, ৭ নভেম্বরশীতের সকালে মায়ের কাঁধে মাথা দিয়ে ঘুমিয়ে আছে শিশুটি। হারাটি, রংপুর, ৭ নভেম্বররাতে বিলে বড়শি পেতে সকালে মাছ তুলছেন এক মাছশিকারি। ময়নাকুঠি, রংপুর, ৭ নভেম্বর
সূত্র: প্রথম আলো
এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্যে ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থান
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত নাটকীয় ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দিন। এদিন সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন আসে। সে সময়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরী–র লেখা বই এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্য: স্বাধীনতার প্রথম দশক (১৯৭১-১৯৮১)–এ আমরা ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বরের বর্ণনা পাই।
সেখান থেকে উল্লেখযোগ্য অংশ প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলোরাষ্ট্রপতি হিসেবে বিচারপতি সায়েমের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে আমি তাড়াতাড়ি আর্মি হেডকোয়ার্টারে চলে আসি। সেখানে এসে আমি আমার অধীনস্থ অফিসারদের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করি। বস্তুতপক্ষে ৩ থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে কোনো সরকার ছিল না বললেই চলে। আর্মিতেও দৈনন্দিন কোনো কাজকর্ম চলছিল না। আর্মি হেডকোয়ার্টারে অচলাবস্থা বিরাজ করছিল।
পুরো সেনানিবাসের পরিবেশ ছিল অস্বাভাবিক ও থমথমে।
সূত্র: প্রথম আলো

যে চার শহীদের নামে কোস্ট গার্ডের চার জাহাজের নাম

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন