advertisement

ফরিদপুরে অভিযানের খবরে পালালেন ফার্মেসির মালিকরা, ৪ দোকানে জরিমানা

ফরিদপুরে অভিযানের খবরে পালালেন ফার্মেসির মালিকরা, ৪ দোকানে জরিমানা
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ফরিদপুরের সদরপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি এবং ড্রাগ লাইসেন্স না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চারটি ফার্মেসিকে ২৫ হাজার টাকা...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

মোবাইল ফোনের লোভে গলা কেটে বন্ধুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায় মোবাইল ফোনের লোভে গলা কেটে বন্ধুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায় ময়মনসিংহে সেলুন ব্যবসায়ী রবীন্দ্র খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাদ্দাম আটক ময়মনসিংহে সেলুন ব্যবসায়ী রবীন্দ্র খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাদ্দাম আটক নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের ডাইনিংয়ে ভাতে মিললো টিকটিকি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের ডাইনিংয়ে ভাতে মিললো টিকটিকি এমপির ছবিসহ টি-শার্ট পরে মা ইলিশ শিকার, কেউ ধরবে না বলে দম্ভ এমপির ছবিসহ টি-শার্ট পরে মা ইলিশ শিকার, কেউ ধরবে না বলে দম্ভ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মী খুনের মূল আসামি পুলিশের গুলিতে নিহত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মী খুনের মূল আসামি পুলিশের গুলিতে নিহত
advertisement

এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল

এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন

প্রশ্নটা শুরুতেই করতে হচ্ছে—মিরপুর টেস্ট হবে কার? বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নাকি ‘অর্ণবে’র! এই টেস্টে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আবহাওয়ার পূর্বাভাস ‘অর্ণব’, মানে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের দিকেও কিছুটা হেলে আছে। আজ টেস্টের প্রথম দিন বৃষ্টি হতে পারে ঢাকায়। গতকাল পর্যন্ত বৃষ্টির শঙ্কা দেখা যাচ্ছিল পরের দুই দিনেও।বাংলাদেশ কোনোভাবেই চাইবে না, এই টেস্টে ‘অর্ণবে’র বাধা আসুক বা টেস্টটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে যাক।

আগামী ১৪ জুন লর্ডসে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল শুরু। পয়েন্ট তালিকায় চারে থাকা বাংলাদেশের ফাইনালে যেতে হলে বর্তমান চক্রে হাতে থাকা ছয় টেস্টের অন্তত চারটিতে জিততেই হবে, যার শুরুটা তারা করতে চাইবে এই টেস্ট দিয়ে। পয়েন্ট তালিকায় আটে থাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবশ্য সে রকম কোনো চাপ নেই। সেরা পাঁচে থেকে চক্র শেষ করতে পারলেই তারা খুশি।

তাতে অন্তত বাড়তি কিছু আর্থিক সুবিধা তো মিলবে!ছয় টেস্টে চার জয়কে বাংলাদেশের জন্য অন্য কোনো সময়ে দূরের কল্পনা বলেই মনে হতো।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ডলারের আশায় ই-টিন!

ডলারের আশায় ই-টিন!

আজ থেকে বছর দুয়েক আগের কথা। ইউটিউবে তখন ‘ফেসবুক থেকে মাসে লাখ টাকা আয়’ টাইপের ভিডিওর খুব রমরমা অবস্থা। থাম্বনেইলে এমন সব এডিটিং, যেন ল্যাপটপ খুলে বসলেই স্ক্রিন থেকে ডলারের বান্ডিল বের হয়ে সোজা পকেটে ঢুকে যাবে।এসব মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে আমার ভেতরেও বিলিয়নিয়ার হওয়ার সুপ্ত বাসনা জেগে উঠল। ভাবলাম, মার্ক জাকারবার্গ যখন দুই হাত ভরে টাকা বিলোচ্ছেন, তখন আমি কেন গরিব হয়ে বসে থাকব!

শুরু হলো ফেসবুক থেকে ডলার কামানোর মিশন।ইউটিউবের ওই ভিডিওতেই শুনলাম, ডলার হাতে পেতে নাকি একটা ‘ই-টিন’ সার্টিফিকেট লাগে। ই-টিন জিনিসটা আসলে কী, এটা দিয়ে কী করে, সে বিষয়ে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ বা ধারণা ছিল না। আমার তখন একটাই লক্ষ্য—ডলার!আমার মনে হচ্ছিল, এই সার্টিফিকেটটা হচ্ছে আলাদিনের জাদুর চেরাগ।

এটা কোনোমতে বানিয়ে ফেসবুকে আপলোড করে দিলেই, জাকারবার্গ সাহেব খুশিতে গদগদ হয়ে সরাসরি আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডলারের বস্তা পাঠিয়ে দেবেন।আমি ইনকাম ট্যাক্স দেওয়া তো দূরের কথা, আমার আর্থিক অবস্থা এমন যে সরকার চাইলে আমাকেই উল্টো কিছু বেকার ভাতা দিতে পারে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে
নির্বাচনী প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্প

একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদের শেষ দুই বছরে যখন কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে যায়, জনপ্রিয়তার পারদ তলানিতে গিয়ে ঠেকে এবং নিজ দল পরবর্তী উত্তরসূরি নিয়ে ভাবতে শুরু করে, তখন ওভাল অফিসের অধিপতির ক্ষমতা যেন ধীরে ধীরে বিলীন হতে থাকে।

বিশেষ করে দ্বিদলীয় সহযোগিতার ছিটেফোঁটাও না থাকা এই যুগে অভ্যন্তরীণ আইন প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়ে।তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনগুলো যত ঘনিয়ে আসে এবং প্রেসিডেন্টরা নিজেদের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথা চিন্তা করতে থাকেন, তখন তাঁদের সামনে একটা জায়গাই বাকি থাকে—বাকি বিশ্বের ওপর প্রভাব খাটানো।১৯৯২ সালে নিজ মেয়াদের শেষ সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ দুর্ভিক্ষ দূর করার লক্ষ্যে সোমালিয়ায় ২৮ হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছিলেন।

বিল ক্লিনটনের ক্ষেত্রে তা ছিল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত অবসানের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার একটি একনিষ্ঠ কিন্তু ব্যর্থ প্রচেষ্টা।অন্যদিকে বারাক ওবামা কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে হাভানা সফর করেছিলেন, যার মাধ্যমে রচিত হয় এক ঐতিহাসিক অধ্যায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন