advertisement

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মী খুনের মূল আসামি পুলিশের গুলিতে নিহত

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মী খুনের মূল আসামি পুলিশের গুলিতে নিহত
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বিজেপি কর্মী খুনের মূল আসামি পুলিশের গুলিতে বা এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে সামশেরগঞ্জের...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

মোবাইল ফোনের লোভে গলা কেটে বন্ধুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায় মোবাইল ফোনের লোভে গলা কেটে বন্ধুকে হত্যা, মরদেহ মিললো ডোবায় ময়মনসিংহে সেলুন ব্যবসায়ী রবীন্দ্র খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাদ্দাম আটক ময়মনসিংহে সেলুন ব্যবসায়ী রবীন্দ্র খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাদ্দাম আটক নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের ডাইনিংয়ে ভাতে মিললো টিকটিকি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের ডাইনিংয়ে ভাতে মিললো টিকটিকি এমপির ছবিসহ টি-শার্ট পরে মা ইলিশ শিকার, কেউ ধরবে না বলে দম্ভ এমপির ছবিসহ টি-শার্ট পরে মা ইলিশ শিকার, কেউ ধরবে না বলে দম্ভ বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক বিদ্যালয়ের টয়লেটে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক
advertisement

এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য

এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য
ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় কয়েক সেকেন্ডেই। কখনো পড়াশোনার কাজে, কখনো ছবি তৈরি করতে, আবার কখনো জটিল কোনো বিষয় বুঝতে আমরা ব্যবহার করি চ্যাটজিপিটির মতো এআই টুল। কিন্তু এত দ্রুত উত্তর দিতে গিয়ে এআইয়ের পেছনে কত পানি ও বিদ্যুৎ খরচ হয়, সেটা আমরা সাধারণত ভাবি না।এআইয়ের উত্তর তৈরি করতে প্রয়োজন হয় বিশাল কম্পিউটারব্যবস্থার। এসব কম্পিউটার চলে ডেটা সেন্টারে।

সেখানে হাজার হাজার কম্পিউটার একসঙ্গে কাজ করে। কম্পিউটার চালাতে যেমন বিদ্যুৎ লাগে, তেমনি যন্ত্রগুলো অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থাও করতে হয়। আর সেখানেই আসে পানির প্রসঙ্গ।এআইয়ের পানি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান। তাঁর দাবি, চ্যাটজিপিটির পানি ব্যবহার নিয়ে ইন্টারনেটে যেসব তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, তার অনেকটাই বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

এমনকি একটি বাদাম উৎপাদনে যে পরিমাণ পানি লাগে, সেই পানিতে নাকি চ্যাটজিপিটিকে ৩৮ হাজার প্রশ্ন করা সম্ভব!যে ১০ অভ‍্যাস তোমাকে সফল মানুষ করে তুলবেএকটি বাদাম বনাম ৩৮ হাজার প্রশ্ন২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টমস হার্ডওয়্যারের এক প্রতিবেদনে অল্টম্যানের এই বক্তব্য উঠে আসে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

খোঁজ দ্য দরিদ্র

খোঁজ দ্য দরিদ্র

মোবাইলে ইন্টারনেট থাকে, হাঁড়িতে ভাত থাকে না। দুটো সংযোগ একসঙ্গে চালু রাখার সামর্থ্য নেই।দেশে দরিদ্র মানুষ আছে, এটা সবাই জানে। কিন্তু তাদের খুঁজে বের করতেও যে এত আয়োজন লাগে, তা কি তারা জানে? ‘দরিদ্র খুঁজতেই ২০১০ কোটি’—এমন শিরোনাম দেখে এক দরিদ্র মানুষ পকেট হাতড়ে বললেন, ‘পকেটে ১০ টাকা নেই, অথচ আমাকে খুঁজতেই এত টাকা! আমি কি দরিদ্র, নাকি হারিয়ে যাওয়া কোনো ভিআইপি?’পাশের আরেকজন বললেন, ‘চুপ! জীবনে প্রথমবার তোর দাম উঠেছে।

এত টাকা খরচ করে তোকে খোঁজা হচ্ছে!’‘কত দাম?’‘সেটা জানতে আবার জরিপ হবে।’পরদিন লোকটির বাড়িতে হাজির জরিপকারী। হাতে ফরম, কাঁধে ব্যাগ, মুখে গুরুগম্ভীর ভাব। দেখে মনে হলো, দরিদ্র খুঁজতে নয়, আন্তর্জাতিক কোনো রহস্যের জট খুলতে এসেছেন।—আপনার মাসিক আয় কত?—কোন মাসের?—মানে?—কোনো মাসে কাজ পাই, কোনো মাসে পাই না। যে মাসে পাই, সে মাসেও পুরো টাকা পাই না। আপনি মাস ঠিক করুন, আমি আয় বলি।জরিপকারী ফরমের দিকে তাকালেন।

সেখানে আয়ের ঘর আছে, কিন্তু ‘আয় কখনো আসে, কখনো আসে না’—এমন জটিল পরিস্থিতির জন্য আলাদা ঘর নেই।জরিপকারী ফরমে লিখলেন, ‘আয় অনিয়মিত।’—মাসিক ব্যয়?—আয়ের চেয়ে বেশি।—সঞ্চয়?—মাসের শেষে ধার।জরিপকারী একটু থেমে লিখলেন, ‘দারিদ্র্যের বহুমাত্রিকতা।’লোকটি বললেন, ‘দারিদ্র্য তো একটাই—পেটে ভাত নেই।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না

এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না
ফোন থেকে এআই চ্যাট মুছে ফেললেও তার সব চিহ্ন মুছে যায় না কেন?

স্মার্টফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এখন দৈনন্দিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনো কাজের প্রয়োজনে, কখনো নিছক কৌতূহল মেটাতে আমরা এআইয়ের সঙ্গে নানা কথা বলি। চ্যাট শেষে অনেক সময় সেই কথোপকথন ডিলিটও করে দিই। আমরা ভাবি, ডিলিট করেছি মানে সবকিছু চিরতরে মুছে গেল। কিন্তু জর্জিয়া টেক ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক বলছেন অন্য কথা।

তাঁদের নতুন গবেষণা প্রমাণ করেছে, ফোন থেকে এআই চ্যাট মুছে ফেললেও তার সব চিহ্ন মুছে যায় না।গবেষকেরা এমন একটি টুল তৈরি করেছেন, যা অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে মুছে ফেলা এআইয়ের সঙ্গে কথোপকথন ফিরিয়ে আনতে পারে। টুলটির নাম দেওয়া হয়েছে ওরিজা (ORISA)।

মজার ব্যাপার হলো, এটি শুধু হারানো তথ্যই খুঁজে বের করে না, সেই তথ্যের টুকরোগুলো জোড়া লাগিয়ে আগের এআই সেশনটি পুরোপুরি সচলও করে দিতে পারে।আমরা সাধারণত চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মতো যেসব এআই ব্যবহার করি, সেগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বড় কোনো সার্ভারে যুক্ত থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন