কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় কয়েক সেকেন্ডেই। কখনো পড়াশোনার কাজে, কখনো ছবি তৈরি করতে, আবার কখনো জটিল কোনো বিষয় বুঝতে আমরা ব্যবহার করি চ্যাটজিপিটির মতো এআই টুল। কিন্তু এত দ্রুত উত্তর দিতে গিয়ে এআইয়ের পেছনে কত পানি ও বিদ্যুৎ খরচ হয়, সেটা আমরা সাধারণত ভাবি না।এআইয়ের উত্তর তৈরি করতে প্রয়োজন হয় বিশাল কম্পিউটারব্যবস্থার। এসব কম্পিউটার চলে ডেটা সেন্টারে।
সেখানে হাজার হাজার কম্পিউটার একসঙ্গে কাজ করে। কম্পিউটার চালাতে যেমন বিদ্যুৎ লাগে, তেমনি যন্ত্রগুলো অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থাও করতে হয়। আর সেখানেই আসে পানির প্রসঙ্গ।এআইয়ের পানি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান। তাঁর দাবি, চ্যাটজিপিটির পানি ব্যবহার নিয়ে ইন্টারনেটে যেসব তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, তার অনেকটাই বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।
এমনকি একটি বাদাম উৎপাদনে যে পরিমাণ পানি লাগে, সেই পানিতে নাকি চ্যাটজিপিটিকে ৩৮ হাজার প্রশ্ন করা সম্ভব!যে ১০ অভ্যাস তোমাকে সফল মানুষ করে তুলবেএকটি বাদাম বনাম ৩৮ হাজার প্রশ্ন২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টমস হার্ডওয়্যারের এক প্রতিবেদনে অল্টম্যানের এই বক্তব্য উঠে আসে।
সূত্র: প্রথম আলো

এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না
পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগে পরীক্ষার ধাপগুলো কী কী, দেখুন তারিখ, সময়সহ বিস্তারিত
সত্যি অপরাধের গল্পে কোটি কোটি ভিউ
ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন জা...

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন