সেদিন শনিবার। ওই দিন কুড়িগ্রামের রাজারহাটে হাট বসে। হাটে বসেই কথা হচ্ছিল রনি (৪০), জাকির (৪০), হামিদুল (৩৮) ও রওশন (৩০) নামের চারজন কৃষি উদ্যোক্তার সঙ্গে। চারজনই আলু চাষ করে লোকসানে পড়েছেন। তাঁরা বলছিলেন, ‘ভাই, সরকার আলু রপ্তানি না করলে এবার কৃষক মারা যাবে।
ভাবছিলাম, গতবার দাম পাইনি, এবার হয়তো পাব।’কয়েক দিন আগে কুড়িগ্রামের ক্যাতার মোড়ের মোস্তফা হিমাগারে এক পাইকার জানালেন, কুড়িগ্রামে ছয়টি কোল্ডস্টোরেজ হওয়ায় আলু নষ্ট হবে না, এমন ধারণা থেকে কৃষকেরা বেশি করে আলুর আবাদ করেছেন। কোল্ডস্টোরেজের ভাড়াসহ প্রতি কেজি আলুর খরচ পড়েছে ২৩ থেকে ২৪ টাকা। এর মধ্যে কোল্ডস্টোরেজের ভাড়া প্রতি কেজিতে ৯ টাকা ৭৫ পয়সা। অর্থাৎ হিমাগারের ভাড়া বাদ দিলে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ১৩ থেকে ১৪ টাকা।
অথচ কৃষক বাজারে আলু বিক্রি করছেন সাড়ে ১১ টাকা কেজি দরে।কোম্পানিগুলো রাষ্ট্রের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পায়, তার অর্থ তো জনগণেরই।
সূত্র: প্রথম আলো

খুলনায় কালি মুছে নতুন করে আঁকা হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি
এআইতে অদৃশ্য কর্মীদের গল্প
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে প্রথম স্থানে পোশাকশিল্প
হাঁটুর জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা? হতে পারে মিনিসকাস ইনজুরি
প্রাচীন বাংলার সুলতানদের রাজধানী ছিল ‘সোনারগাঁ’

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন