advertisement

আতলেতিকো সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন আলভারেজ

আতলেতিকো সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন আলভারেজ
কাল গোল পেয়েছেন আলভারেজ
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ক্লাব সমর্থকদের খুশি করার জন্য জয়সূচক গোলই যথেষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা।গতকাল লা লিগায় দেপোর্তিভো লা করুনার বিপক্ষে সেটিই করেছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের হুলিয়ান আলভারেজ। তবে আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকারের আতলেতিকো সমর্থকদের কাছে এত ‘দেনা’ জমা হয়ে গিয়েছিল যে জয়সূচক গোলকে যথেষ্ট মনে হয়নি তাঁর নিজের কাছেই।মৌসুমের শুরুতে বার্সেলোনায় যাওয়ার জন্য তাঁর মরিয়া আচরণে ক্ষোভ জন্মেছিল সমর্থকদের মনে।

এবার দেপোর্তিভোর বিপক্ষে ১–০ জয়ের ম্যাচে গোল করার পর দল ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ এবং সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ধরন নিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন আলভারেজ।বার্সায় যাওয়ার সময়কার নিজের বক্তব্য নিয়ে মুভিস্টারকে আলভারেজ বলেন, ‘বিশ্বকাপ চলাকালে আমার বলা কথাগুলোর জন্য সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাই। আমি যেভাবে কথাগুলো বলেছি এবং যে সময়ে বলেছি, সেটা ভুল ছিল।’মৌসুমের শুরুর ম্যাচগুলোতে দর্শক তাঁকে দুয়ো দিয়েছিলেন।

সেদিকে ইঙ্গিত করে আলভারেজ যোগ করেন, ‘সমর্থকেরা কেন ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তা আমি বুঝতে পারছি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

লাল কার্ড দেখেই ক্ষোভ, প্রতিপক্ষকে দেখে নেওয়ার হুমকি নেইমারের লাল কার্ড দেখেই ক্ষোভ, প্রতিপক্ষকে দেখে নেওয়ার হুমকি নেইমারের এলেনা সাদিকু: ফুটবলে সব হারিয়ে জিতে যাওয়া মেয়েটি এলেনা সাদিকু: ফুটবলে সব হারিয়ে জিতে যাওয়া মেয়েটি ফোন ব্যবহার যত কম, পুরস্কার তত বেশি ফোন ব্যবহার যত কম, পুরস্কার তত বেশি আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৫ অক্টোবর ২০২৬) আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৫ অক্টোবর ২০২৬) এল ক্লাসিকোর ফল ঠিক করে দিতে পারে যে পাঁচ প্রশ্নের উত্তর এল ক্লাসিকোর ফল ঠিক করে দিতে পারে যে পাঁচ প্রশ্নের উত্তর
advertisement

পিকাসো ১৪৫

পিকাসো ১৪৫
পাবলো পিকাসো (২৫ অক্টোবর ১৮৮১ - ৮ এপ্রিল ১৯৭৩) ও পিকাসোকে নিয়ে লেখা বাংলাদেশের কবি ও চিত্রশিল্পীদের ছবি অবলম্বনে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

১৯৭৩ সালে বিচিত্রার প্রথম বর্ষ ৩৬তম সংখ্যাটি প্রকাশিত হয় ১৩ এপ্রিল। প্রচ্ছদে এলেন সদ্য মৃত্যুবরণ করা (৮ এপ্রিল) বিশ্বখ্যাত স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসো । শিল্পীর প্রতিকৃতিসহ লেখা হয় শিরোনাম ‘একটি শতাব্দীর মৃত্যু’। পিকাসোকে নিয়ে প্রকাশিত প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘একটি শতাব্দীর অবসান’। এ ছাড়া ছিল পিকাসোকে নিবেদিত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াধর্মী লেখা।

লিখেছিলেন জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান, শামসুর রাহমান এবং সৈয়দ শফিকুল হোসেন । কবি ও চিত্রশিল্পীদের এসব গাঁথায় পিকাসোর অমর পরিণতির কথাই প্রতিবিম্বিত হয়েছে। অগ্রন্থিত এ লেখাগুলো আজ পাবলো পিকাসোর ১৪৫তম জন্মদিনে অন্য আলো পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো। সংগ্রহ ও ভূমিকা: আশফাকুর রহমানবিংশ শতাব্দীর দুনিয়ায় এক দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ের ছাপ পড়তে শুরু করে সবকিছুতে। নানা অবদান ছড়িয়ে যাচ্ছিল ক্রমেই বিশ্বের সব জায়গায়।

গ্রহণ-বর্জন আর অনুপ্রেরণায় স্বকীয় শিল্পভাষা বিকশিত হচ্ছিল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

হেলমেট পরে এসে দোকানে বসে থাকা বৃদ্ধকে গুলি

হেলমেট পরে এসে দোকানে বসে থাকা বৃদ্ধকে গুলি
নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় দোকানে বসে থাকা এক বৃদ্ধকে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষকামতা গ্রামের বটতলী এলাকার সালাউদ্দিনের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।আহত বৃদ্ধের নাম মো. জামাল উদ্দিন। তিনি ঘোষকামতা গ্রামেরই বাসিন্দা। তাঁকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গুলির ঘটনার পর রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাতে মো. জামাল উদ্দিন তাঁর বাড়ির পাশের চায়ের দোকানটিতে বসে ছিলেন। এ সময় মাথায় হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দোকানের সামনে এসেই তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়েন। বাঁ হাঁটু ও ঊরুতে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ মো. জামাল উদ্দিন দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

চার খর্বাকৃতি ভাই-বোনের পরিবারের পাশে মানিকগঞ্জ বন্ধুসভা

চার খর্বাকৃতি ভাই-বোনের পরিবারের পাশে মানিকগঞ্জ বন্ধুসভা
মানিকগঞ্জ বন্ধুসভার একটি ভালো কাজ
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

একটি পরিবারের আট ভাই-বোনের মধ্যে চারজনই খর্বাকৃতি। তাঁদের মধ্যে দুই বোন ও দুই ভাই। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জীবন চলছে তাঁদের। এমন একটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে মানিকগঞ্জ বন্ধুসভা।২৪ অক্টোবর সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দীঘি ইউনিয়নের ভাটবাউর গ্রামে ওই পরিবারের বাড়িতে গিয়ে একটি সেলাই মেশিন, চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য তুলে দেন বন্ধুসভার সদস্যরা।

প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘একটি ভালো কাজ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবারটিকে এসব সহায়তা দেওয়া হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি আবদুল মোমিন, বন্ধুসভার উপদেষ্টা আমজাদ হোসেন, সভাপতি চাঁন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক লিটন মিয়া, সহসভাপতি সৌরভ মাহমুদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাকছুদুর রহমানসহ অন্য বন্ধুরা।পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, মৃত হজরত আলী ও বৃদ্ধা জহুরা বেগমের পাঁচ মেয়ে ও তিন ছেলের মধ্যে চার সন্তানই খর্বাকৃতির।

তাঁরা হলেন মোছা. হাবিয়া (৬৪), মেহেরজান (৫৮), ইজ্জত আলী (৫২) ও সিরাজ আলী (৪৮)।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন