advertisement

ইয়েমেনে শান্তি ফেরানো যে কারণে কঠিন

ইয়েমেনে শান্তি ফেরানো যে কারণে কঠিন
ইয়েমেনের চলমান সংকটে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হলে সাধারণত যুদ্ধবিরতি, সামরিক উত্তেজনা কমানো, মানবিক সহায়তা এবং প্রধান সশস্ত্র পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা গুরুত্ব পায়। যুদ্ধ বন্ধের জন্য এসব উদ্যোগ জরুরি। কিন্তু বারবার শান্তি উদ্যোগ নেওয়ার পরও কেন স্থায়ী সমাধান আসছে না, তার পুরো ব্যাখ্যা এতে পাওয়া যায় না। ইয়েমেনের সংকট শুধু কেন্দ্রীয় সরকার কে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেই বিরোধ নয়।

রাষ্ট্রের কাঠামো কেমন হবে, রাজনৈতিক ক্ষমতা কীভাবে বণ্টিত হবে এবং বিভিন্ন অঞ্চলের ভবিষ্যৎ মর্যাদা কী হবে, তা নিয়েও বিরোধ রয়েছে। এসব প্রশ্নের মধ্যে দক্ষিণ ইয়েমেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তা অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এই প্রশ্ন এড়িয়ে শান্তিচুক্তি হলে সাময়িকভাবে সহিংসতা কমতে পারে। কিন্তু নতুন সংঘাতের কারণগুলো থেকেই যাবে।

তাই আঞ্চলিক সরকার ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের শুধু আলোচনার টেবিলে পক্ষগুলোকে ফিরিয়ে আনলেই চলবে না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

চুয়েটে শাটডাউন প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, দিলেন যে শর্ত চুয়েটে শাটডাউন প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, দিলেন যে শর্ত লাল-সবুজ জার্সির স্বপ্ন বুনে চলেছে ফুলকলি ত্রিপুরা লাল-সবুজ জার্সির স্বপ্ন বুনে চলেছে ফুলকলি ত্রিপুরা স্মার্টফোনের আঙুলের ছাপ কীভাবে কাজ করে স্মার্টফোনের আঙুলের ছাপ কীভাবে কাজ করে নিজেকে কি মেহজাবীনের জায়গায় ভাবেন তটিনী? কী বললেন এই অভিনেত্রী নিজেকে কি মেহজাবীনের জায়গায় ভাবেন তটিনী? কী বললেন এই অভিনেত্রী ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার পদে আবেদন ছাড়াল ৪১ হাজার ৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার পদে আবেদন ছাড়াল ৪১ হাজার
advertisement

চুয়েটে শাটডাউন প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, দিলেন যে শর্ত

চুয়েটে শাটডাউন প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, দিলেন যে শর্ত
সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে ‘৫৬’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি চুয়েটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

অবশেষে শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন শুরুর ৩৩ দিন পর তাঁরা এ ঘোষণা দিলেন। তবে আগের উপাচার্য পুনর্বহাল ও নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাহারের আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে এক খোলা চিঠিতে প্রথমে ক্লাসে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের এ চিঠির পর দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা হয়। বেলা দুইটায় এ সভা শেষ হয়। এ সভা শেষেও একই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।খোলা চিঠিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও অচলাবস্থায় তাঁদের শিক্ষাজীবন ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছে। তাঁরা আর শিক্ষা ও ভবিষ্যৎকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চান না। ক্লাসে ফিরে একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে চান। তবে ক্লাসে ফিরতে চাওয়ার অর্থ আন্দোলন থেকে সরে আসা নয়।

শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের এই সম্মিলিত আন্দোলনের এক দফা দাবি মানতে হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

লাল-সবুজ জার্সির স্বপ্ন বুনে চলেছে ফুলকলি ত্রিপুরা

লাল-সবুজ জার্সির স্বপ্ন বুনে চলেছে ফুলকলি ত্রিপুরা
জাতীয় পর্যায়ের গোলরক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখে কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফুলকলি ত্রিপুরা।
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

শহরের ইটপাথরের খাঁচায় বন্দি শৈশব নয়, পাহাড়ের সবুজ উপত্যকায় বেড়ে ওঠা এক লড়াকু কিশোরীর নাম ফুলকলি ত্রিপুরা। বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী আজ ফুটবলের এক অপার সম্ভাবনাময় নাম। বাঁশের গোলপোস্ট আর সিমেন্টের ইটের টুকরোকে গোলবার বানিয়ে প্রতিদিন বিকেলে ঘাম ঝরাচ্ছে সে, যার একটাই লক্ষ্য—একদিন জাতীয় দলের গোলবার সামলানো।ফুলকলির এই ফুটবলের পথচলাটা মোটেও সহজ ছিল না।

শহরের মেয়েদের মতো নামিদামি বুটজোড়া কিংবা কোনো পেশাদার অ্যাকাডেমির ছোঁয়া তার ভাগ্যে জোটেনি। ফুটবলের প্রতি তার এই গভীর প্রেম শুরু হয় মূলত স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে। পরবর্তীতে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উপজেলা পর্যায়ে খেলতে গিয়ে সে উপলব্ধি করে সবাই যখন বল জালে জড়িয়ে গোল করতে ব্যস্ত, তখন তার আনন্দ লুকিয়ে থাকে দারুণ সব শট ঠেকিয়ে গোল বাঁচানোর মাঝে।

তার জীবনের মোড় ঘুরে যায় শিক্ষক চৌনি মারমার একটি কথায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

স্মার্টফোনের আঙুলের ছাপ কীভাবে কাজ করে

স্মার্টফোনের আঙুলের ছাপ কীভাবে কাজ করে
আঙুলের ছাপ দিয়ে চালু করা যায় স্মার্টফোন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

স্মার্টফোনের পর্দায় আঙুল ছোঁয়ালেই খুলে যায় ফোন। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আঙুলের ছাপ মিলিয়ে ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করে আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর মূলত মানুষের আঙুলের ছাপের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য চিহ্নিতের মাধ্যমে কাজ করে। প্রযুক্তির ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে স্মার্টফোনে ব্যবহৃত ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

এগুলো হলো—অপটিক্যাল, ক্যাপাসিটিভ ও আলট্রাসনিক।অপটিক্যাল সেন্সর: এটি আঙুলের ছাপ শনাক্তের পুরোনো ও পরিচিত প্রযুক্তি। সেন্সরের ভেতরে থাকা আলোকসংবেদনশীল চিপ (সিসিডি বা সিএমওএস) আলো ফেলে আঙুলের একটি ডিজিটাল ছবি তোলে। আঙুলের উঁচু রেখা ও নিচু খাঁজ থেকে আলো ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়। সেই পার্থক্যের ভিত্তিতে তৈরি নকশা সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়।

এই সেন্সর তুলনামূলক সস্তা এবং ডিসপ্লের নিচে সহজে বসানো যায়।টেকবার্তার সঙ্গে যোগাযোগ: techbarta@prothomalo.com ক্যাপাসিটিভ সেন্সর: আইফোনে বহুল ব্যবহৃত এই প্রযুক্তিতে সেন্সরের উপরিভাগে বিদ্যুৎ পরিবাহী ক্ষুদ্র সার্কিট থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন