ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হলে সাধারণত যুদ্ধবিরতি, সামরিক উত্তেজনা কমানো, মানবিক সহায়তা এবং প্রধান সশস্ত্র পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা গুরুত্ব পায়। যুদ্ধ বন্ধের জন্য এসব উদ্যোগ জরুরি। কিন্তু বারবার শান্তি উদ্যোগ নেওয়ার পরও কেন স্থায়ী সমাধান আসছে না, তার পুরো ব্যাখ্যা এতে পাওয়া যায় না। ইয়েমেনের সংকট শুধু কেন্দ্রীয় সরকার কে নিয়ন্ত্রণ করবে, সেই বিরোধ নয়।
রাষ্ট্রের কাঠামো কেমন হবে, রাজনৈতিক ক্ষমতা কীভাবে বণ্টিত হবে এবং বিভিন্ন অঞ্চলের ভবিষ্যৎ মর্যাদা কী হবে, তা নিয়েও বিরোধ রয়েছে। এসব প্রশ্নের মধ্যে দক্ষিণ ইয়েমেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তা অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এই প্রশ্ন এড়িয়ে শান্তিচুক্তি হলে সাময়িকভাবে সহিংসতা কমতে পারে। কিন্তু নতুন সংঘাতের কারণগুলো থেকেই যাবে।
তাই আঞ্চলিক সরকার ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের শুধু আলোচনার টেবিলে পক্ষগুলোকে ফিরিয়ে আনলেই চলবে না।
সূত্র: প্রথম আলো

চুয়েটে শাটডাউন প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, দিলেন যে শর্ত
লাল-সবুজ জার্সির স্বপ্ন বুনে চলেছে ফুলকলি ত্রিপুরা
স্মার্টফোনের আঙুলের ছাপ কীভাবে কাজ করে
নিজেকে কি মেহজাবীনের জায়গায় ভাবেন তটিনী? কী বললেন এই অভিনেত্রী
৫১তম বিসিএসে ৫ হাজার পদে আবেদন ছাড়াল ৪১ হাজার

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন