১৯৭৫ সালের এপ্রিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আলবুকার্কি শহরে দুজন তরুণ একটি অফিস ভাড়া নিয়েছেন। একজনের বয়স ২২, অন্যজনের ১৯। শহরের এমআইটিএস নামের ছোট এক ইলেকট্রনিকস কোম্পানি তখন বাজারে এনেছে ‘আলতাইর ৮৮০০’ নামের একটি কিট-কম্পিউটার, যা শখের প্রযুক্তিবিদেরা নিজেরাই জোড়া লাগিয়ে নিতেন। ওই যন্ত্রের জন্য বেসিক নামের প্রোগ্রামিং ভাষা লিখে দিয়েছেন এই দুজন। নিজেদের নতুন কোম্পানির নাম রেখেছেন ‘মাইক্রো-সফট’।
মাইক্রোকম্পিউটারের সফটওয়্যার, এই অর্থে।বয়সে ছোটজনের নাম উইলিয়াম হেনরি গেটস, সবাই ডাকে বিল। বড়জন পল অ্যালেন। তখন তাঁদের কোম্পানিতে লোকজন হাতে গোনা, আয়ও সামান্য। অথচ পরের কয়েক দশকে সেই কোম্পানির তৈরি সফটওয়্যার বিশ্বের কোটি কোটি ডেস্কে বসে যাবে, আর বিল গেটস বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় বছরের পর বছর জায়গা করে নেবেন।গেটসের গল্প বলতে গেলে প্রথমেই ‘ড্রপআউট’ শব্দটা চলে আসে।
হার্ভার্ডের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া ছেড়ে দিয়ে একজন বিশ্ব জয় করেছেন, এই কাহিনি তরুণদের কাছে আকর্ষণীয়।
সূত্র: প্রথম আলো

রাষ্ট্র যখন তার স্রষ্টাদের সম্মান জানাতে সংকটে পড়ে
বিভিন্ন কর অঞ্চলে ২৩৪ পদে নিয়োগ, চলছে আবেদন
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
দ্রুত চিকিৎসক–সংকট দূর করুন
বছরের শুরুর দিনই পাঠ্যবই পৌঁছানো হোক

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন