advertisement

হার্ভার্ডে পড়া ‘ড্রপআউট’ তরুণ কম্পিউটার পৌঁছে দিলেন দুনিয়ার ঘরে ঘরে

হার্ভার্ডে পড়া ‘ড্রপআউট’ তরুণ কম্পিউটার পৌঁছে দিলেন দুনিয়ার ঘরে ঘরে
সংবাদ সম্মেলনের আগে গাড়িতে বসে উইন্ডোজ ৯৫ প্রদর্শন করছেন বিল গেটস। প্যারিস, ফ্রান্স, সেপ্টেম্বর ১৯৯৪
ফটো কার্ড প্রিন্ট

১৯৭৫ সালের এপ্রিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আলবুকার্কি শহরে দুজন তরুণ একটি অফিস ভাড়া নিয়েছেন। একজনের বয়স ২২, অন্যজনের ১৯। শহরের এমআইটিএস নামের ছোট এক ইলেকট্রনিকস কোম্পানি তখন বাজারে এনেছে ‘আলতাইর ৮৮০০’ নামের একটি কিট-কম্পিউটার, যা শখের প্রযুক্তিবিদেরা নিজেরাই জোড়া লাগিয়ে নিতেন। ওই যন্ত্রের জন্য বেসিক নামের প্রোগ্রামিং ভাষা লিখে দিয়েছেন এই দুজন। নিজেদের নতুন কোম্পানির নাম রেখেছেন ‘মাইক্রো-সফট’।

মাইক্রোকম্পিউটারের সফটওয়্যার, এই অর্থে।বয়সে ছোটজনের নাম উইলিয়াম হেনরি গেটস, সবাই ডাকে বিল। বড়জন পল অ্যালেন। তখন তাঁদের কোম্পানিতে লোকজন হাতে গোনা, আয়ও সামান্য। অথচ পরের কয়েক দশকে সেই কোম্পানির তৈরি সফটওয়্যার বিশ্বের কোটি কোটি ডেস্কে বসে যাবে, আর বিল গেটস বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় বছরের পর বছর জায়গা করে নেবেন।গেটসের গল্প বলতে গেলে প্রথমেই ‘ড্রপআউট’ শব্দটা চলে আসে।

হার্ভার্ডের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া ছেড়ে দিয়ে একজন বিশ্ব জয় করেছেন, এই কাহিনি তরুণদের কাছে আকর্ষণীয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

রাষ্ট্র যখন তার স্রষ্টাদের সম্মান জানাতে সংকটে পড়ে রাষ্ট্র যখন তার স্রষ্টাদের সম্মান জানাতে সংকটে পড়ে বিভিন্ন কর অঞ্চলে ২৩৪ পদে নিয়োগ, চলছে আবেদন বিভিন্ন কর অঞ্চলে ২৩৪ পদে নিয়োগ, চলছে আবেদন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু দ্রুত চিকিৎসক–সংকট দূর করুন দ্রুত চিকিৎসক–সংকট দূর করুন বছরের শুরুর দিনই পাঠ্যবই পৌঁছানো হোক বছরের শুরুর দিনই পাঠ্যবই পৌঁছানো হোক
advertisement

রাষ্ট্র যখন তার স্রষ্টাদের সম্মান জানাতে সংকটে পড়ে

রাষ্ট্র যখন তার স্রষ্টাদের সম্মান জানাতে সংকটে পড়ে
পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর কবরের সামনে তাঁর বোন হেনা পশারী

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব সীমিতকরণ প্রক্রিয়া রাজনৈতিক-অর্থনৈতিকভাবে হয়তো দেশ-বিদেশে সবাই প্রায় মেনে নিয়েছে, তবে এর সামাজিক ফল হতে পারে উদ্বেগজনক। সার্বভৌমত্ব সীমিতকরণ প্রক্রিয়াকে ইংরেজিতে ‘ডি-সভেরেনাইজেশন’ বলে উল্লেখ করা যায়। এটা হতে পারে স্বেচ্ছামূলকভাবে, জবরদস্তিমূলক পথেও। বাংলাদেশে উভয়ের মিশ্র পদ্ধতিতে হচ্ছে। ফলাফল একই দাঁড়াচ্ছে।

রাজনীতি ও সমাজজীবনে এ দেশে ঐতিহাসিকভাবে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের উত্তাপ ও ব্যবহার অত্যধিক। তার আড়ালেই সার্বভৌমত্ব সংকোচন বহুকাল ধরে ধীরলয়ে এগোচ্ছে এবং এখন লাজলজ্জার মোড়ক ভেঙে সেটা বেশ স্পষ্ট অবয়ব পেয়েছে।সার্বভৌমত্ব হাতছাড়া হওয়ার বিষয় বহু বিশ্বগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতায় আছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক অনেক কাঠামো সার্বভৌমত্বের পরম ধরন বহু আগে খাটো করেছে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের অনেক আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন, বিভিন্ন সনদে সম্মতির জন্য দেশীয় বিধিবিধান সংশোধন নিয়ন্ত্রিত সার্বভৌমত্বের কথা জানায়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

১৮ বছর আগে সব হারিয়েছিলেন, এখন ৪ কোটির সিনেমা বানান

১৮ বছর আগে সব হারিয়েছিলেন, এখন ৪ কোটির সিনেমা বানান
নমিত মালহোত্রা। ইনস্টাগ্রাম থেকে

একটি অ্যাপল কম্পিউটার আর তিন শিক্ষকের হাত ধরে শুরু হয়েছিল যাত্রা। সেই উদ্যোগ থেকে গড়ে উঠেছে অস্কারজয়ী ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস প্রতিষ্ঠান ডিএনইজি। এবার ভারতীয় মহাকাব্যকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের মঞ্চে নতুনভাবে তুলে ধরতে বড় বাজি ধরেছেন প্রযোজক নমিত মালহোত্রা। মুম্বাইয়ের একটি গ্যারেজে বসে ১৯ বছর বয়সে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন নমিত মালহোত্রা, কয়েক দশক পর সেই স্বপ্নই তাঁকে নিয়ে গেছে হলিউডের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে।

হাতে ছিল একটি অ্যাপল কম্পিউটার, সঙ্গে ভিডিও সম্পাদনা ও কম্পিউটার গ্রাফিকস নিয়ে কাজ করার আগ্রহ। নিজের উদ্যোগে ব্যবসা শুরু করতে পাশে পেয়েছিলেন তিন শিক্ষককে। ছোট সেই উদ্যোগের নাম ছিল ভিডিও ওয়ার্কশপ। সেখান থেকে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে প্রাইম ফোকাস, আর আন্তর্জাতিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস জগতে প্রতিষ্ঠা পায় ডিএনইজি। এখন নমিতের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ‘রামায়ণ’।

পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির এই দুই পর্বের মহাকাব্যিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর, যশ, সাই পল্লবী, সানি দেওলসহ একাধিক তারকা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বিভিন্ন কর অঞ্চলে ২৩৪ পদে নিয়োগ, চলছে আবেদন

বিভিন্ন কর অঞ্চলে ২৩৪ পদে নিয়োগ, চলছে আবেদন
আয়কর রিটার্ন গ্রহণ চলছে

৬টি কর অঞ্চলে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগে আবেদন চলছে। এতে মোট পদসংখ্যা ২৩৪, সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলে, ৫৫টি। নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চল ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের ৬ ক্যাটাগরির পদে নিয়োগে আবেদন শুরু হয়েছে ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে। মোট পদসংখ্যা ৫৫। আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০২৬। বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায়।ঢাকা কর অঞ্চল-৬১৩ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ৪১।

আবেদনের শেষ তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৬। বিস্তারিত দেখুন https://www.prothomalo.com/chakri/employment/p7jwg4d6pz এই ঠিকানায়।চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন চলছে। প্রতিষ্ঠানটি ১৩তম থেকে ২০তম গ্রেডের ৫ ক্যাটাগরির পদে ২৬ জনকে নিয়োগ দেবে। আবেদন করা যাবে আগামী ৫ নভেম্বর ২০২৬ বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায়।চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের চাকরি, আবেদন ৮ ডিসেম্বর পর্যন্তকুমিল্লা কর অঞ্চল১৩ থেকে ২০ গ্রেডের ৭ ক্যাটাগরির পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন