মেট্রোরেলে প্রচণ্ড ভিড়ে এক বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষক মারা গেলেন। সংবাদমাধ্যমে এ প্রতিবেদন দেখে কিছুটা ধাক্কা খেলাম। সেইসঙ্গে কিছু প্রশ্নও খোঁচা দিল মনে।‘জন্মিলেই মরিতে হবে’ কথাটা শ্বাশতকাল ধরেই সত্য। তারপরও মানুষ বাঁচতে চায়, মানুষ মানুষকে বাঁচাতে চায়। ঘরের কেউ অসুস্থ হলে আমরা গাড়িতে, অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নিয়ে যাই চিকিৎসার জন্য।
গ্রামের একজন বৃদ্ধ ন্যুব্জ পিঠে তাঁর অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে দূরের হাসপাতালে যাচ্ছেন, সেই ছবিও আমরা দেখেছি। ডাক্তাররা চিকিৎসা করেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপারেশন করে রোগীকে ভালো করে তোলেন। প্রতিবেশীরা এসে বিপদে–আপদে অন্যদের সাহায্য করেন। এই পৃথিবীতে যুগ যুগ ধরে এসব নিয়মনীতি চলে আসছে।
এই নিয়মগুলোর ব্যতিক্রম হলে কী হতে পারে?আমাদের দেশে যাঁরা খবরের কাগজ পড়েন বা দেশের অকারণ মৃত্যুর সংখ্যাগুলো মাঝেমধ্যে গণনা করেন, তাঁরা কি বলবেন আমাদের দেশে আমরা সবাই ওপরের সাধারণ নীতিগুলো মানছি?
সূত্র: প্রথম আলো

যমুনার চরের খেয়াঘাটে এখন হাঁটুপানি
পার্টি থেকে ডেট নাইট, এক মেকআপেই বাজিমাত: জাহ্নবীর মতো সান-কিসড লুক পাবেন যেভাবে
ইলিশ রক্ষার অভিযান চলছিল, এর মধ্যেই কুষ্টিয়ার পদ্মায় কয়েক ঘণ্টা ধরে দুই বাহিনীর গোলা...
কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকার খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগ, চার কর্মকর্তার নামে দুদকের মাম...
ধানখেত পাহারায় গিয়েছিলেন কৃষক, দুই হাত কেটে লাশ ফেলে রাখা হয় সড়কে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন